অবরুদ্ধ রসূলবাগে আতঙ্ক, মানুষের চলাচল সীমিত

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: করোনাভাইরাসের কারণে বন্দরের রসূলবাগের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। প্রশাসন থেকে এলাকাটি ‘লকডাউন’ রাখার ঘোষণার পর জনসমাগম একদম কম। কিছু দোকান খুললেও সেগুলোতেও একদম ক্রেতা শূণ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মহল্লাটিতে করা হয়েছে পুলিশ মোতায়েনও।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বন্দরের রসূলবাগে দেখা যায়, মূল সড়কের পাশে বেশির ভাগ দোকান তালাবদ্ধ।

হোটেল গুলোও বন্ধ। কিছু নিত্য প্রয়োজনিয় দোকান খোলা থাকলেও এসব দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা একদমই কম। বেশির ভাগ ব্যবসায়ী দোকান খুলে ক্রেতাশূন্য বসে আছেন। এছাড়া এলাকাটির প্রবেশ মুখ আটকে দেওয়া হয়েছে বাশ দিয়ে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ২ এপ্রিল রাতে রসূলবাগ এলাকাকে লক-ডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

গত ২৯ মার্চ বন্দর উপজেলার রসুলবাগ এলাকার ৪৫ বছর বয়সী এক নারী শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ওই নারীকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। স্বজনেরা ওই দিন ওই নারীকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে না নিয়ে নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসে।

গত ৩০ মার্চ আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। কুর্মিটোলা হাসপাতালে ওই নারীর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর এ পাঠায়। তিন দিন পর আইইডিসিআরের পরীক্ষায় ওই নারীর করোনাভাইরাস পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

এদিকে, ওই নারীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে মনে করে দুই ছেলে ও মেয়ের জামাইসহ স্বজনরা ওই নারীকে বন্দর উপজেলার স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করেছেন। পরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন ওই এলাকা ‘লকডাউন’ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বন্দর থানার (তদন্ত) পুলিশ পরিদর্শক আজহারুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুইজন সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সহ মোট ৭জন পুলিশ সদস্য লকডাউন করা এলাকায় সার্বক্ষণিক মোতায়েন করা হয়েছে।

0