অবশেষে জেলা পুলিশের পাশে এনসিসি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বাজার মনিটরিং থেকে শুরু করে নগরীর যানজট, পরিচ্ছন্ন ফুটপাতসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের সংস্থা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের। যদিও পরিচ্ছন্ন ফুটপাত নগরবাসীকে উপহার দিতে গিয়েই সিটি মেয়রকে পড়তে হয়েছে নানা বাঁধার মুখে। আর এ জন্য বরাবরই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ দায়ি করেছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের অসহযোগীতাকে।

তবে আলোচিত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ আসার পরে দেখা দেছে উল্টো চিত্র। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের পর থেকে নগরীর ফুটপাত দখলে রাখা হকার ও সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মিশনে নেমেছে জেলা পুলিশ। গত ২ সপ্তাহ ধরে চলেছে ব্যাপক অভিযানও। হকার মুক্ত করা হয়েছে নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়ক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী সড়ক ও মীর জুমলা সড়ক। কিন্তু দীর্ঘ এ সময়েও জেলা পুলিশের পাশে দেখা যায়নি সিটি করপোরেশনকে। তাই এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও চলছিলো নগরবাসীর মাঝে।

গত ২৯ জুন বিষয়টি নিয়ে ‘সড়ক দখল মুক্ত রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ: পুলিশের উচ্ছেদ, পাশে নেই এনসিসি!’ শিরোনামে একটি নিউজ প্রচার করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল লাইভ নারায়ণগঞ্জ । পরদিন গুরুত্ব সহকারে স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নিউজটি। এরপরই ৩০ জুন দুপুরে জেলা পুলিশের নির্ধারিত প্রেস ব্রিফিং পুলিশ সুপারের পাশেই দেখা যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ. এফ. এম. এহতেশামূল হককে। আর বিষয়টিকে সাধুবাদ জানায় নগরবাসী।

এসময় সিটি করপোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসিত বরন বিশ্বাসও পাশে ছিলেন।

মেয়রের প্রতি অনুরোধ রেখে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা কাউকে ব্ল্যাক মেইল করা, কাউকে ক্ষতি করা, কাউকে ব্যক্তি আক্রশো হয়রানি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য নারায়ণগঞ্জবাসীকে সেবা দেওয়া। আমরা চাই জনসাধারণকে স্বস্তি দিতে। তাই উচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তিদের কোন মাঠে অথবা খোলা স্থানে হকার বসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য মেয়রের প্রতি অনুরোধ রইলো।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী এহতেশামুল হক লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ। জনস্বার্থকে প্রাদান্য দিয়ে কাজ করতে চাই। এ জন্য সকলে মিলেমিশে যদি শহরটাকে সুন্দর রাখতে পারি, সেটাই হবে আমাদের জন্য মঙ্গলদায়ক। আমাদের মধ্যে সারা জীবনই সমন্বয় ছিলো, সারা জীবনই থাকবে।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসপি) মো. নূরে আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) সুবাস চন্দ্র সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম, ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা (ডিআইও-২) মো. সাজ্জাদ রোমন প্রমুখ।

0