অব‌শে‌ষে কুতুবপুরের বির্ত‌কিত আ.লীগ নেতা আলাউদ্দিন মেম্বার গ্রেফতার

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কুতুবপুরের বির্ত‌কিত আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন হাওলাদার (৫৫) অব‌শে‌ষে পু‌লি‌শের জা‌লে ব‌ন্দি হ‌য়ে‌ছে। তার নিজ কার্যালয়ে দুই যুবককে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ঘটনার ভি‌ডিও ভাইরাল হওয়ার পর থে‌কে সে পলাতক ছিল। ঢাকার সূত্রপুর থে‌কে তা‌কে ফতুল্লা থানা পু‌লিশ আটক ক‌রে। গ্রেফতা‌রের সত্যতা নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন ফতুল্লা ম‌ডেল থানার ইনচার্জ।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঢাকার সূত্রাপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে ৬ টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

 

আলাউদ্দিন হাওলাদারের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, আলাউদ্দিন হাওলাদার মামলা দায়েরের পরপরই পলাতক ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার সূত্রাপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর শাহী মহল্লা এলাকা থেকে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বিদেশী জাতের ছাগল চুরি হয়। এ ঘটনায় ৩১ ডিসেম্বর মুসলিমপাড়া এলাকার রাতুল ও নাঈম নামে দুই যুবককে ধরে আনা হয় কুতুবপুর দুই নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদারের অফিসে। এখানে এই নেতার নির্দেশে তারই সামনে ওই দুই যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের ঘটনা নি‌য়ে ৯ জানুয়ারি লাইভ নারায়ণগঞ্জ সহ স্থানীয় গণমাধ্য‌মে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে শুরু হয় ব্যাপক তোলপাড়।

১০ জানুয়ারি নির্যাতনের শিকার নাঈমের মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় আলাউদ্দিন হাওলাদারসহ ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রবিন ও ইউনূছকে গ্রেফতার করে।

এর আ‌গে, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর শাহী মহল্লা এলাকা থেকে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বিদেশী জাতের ছাগল চুরি হয়। এ ঘটনায় ৩১ ডিসেম্বর মুসলিমপাড়া এলাকার রাতুল ও নাঈম নামে দুই যুবককে ধরে আনা হয় কুতুবপুর দুই নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদারের অফিসে। এখানে এই নেতার নির্দেশে তারই সামনে ওই দুই যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের ঘটনা নি‌য়ে ৯ জানুয়ারি লাইভ নারায়ণগঞ্জ সহ স্থানীয় গণমাধ্য‌মে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে শুরু হয় ব্যাপক তোলপাড়।

১০ জানুয়ারি নির্যাতনের শিকার নাঈমের মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় আলাউদ্দিন হাওলাদারসহ ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন দিবাগত রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রবিন ও ইউনূছকে গ্রেফতার করে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে রবিন ও ইউনূছ বৃহস্পতিবার জামিনও পেয়েছেন। কিন্তু অধরা ছিলেন আলাউদ্দিন হাওলাদার।

0