অভিযোগই হতে পারে আয়ের পথ, না.গঞ্জের বেশির ভাগ ভোক্তার জানা নেই

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ধরুণ আপনি কোন একটি সুপারশপ বা বাজার থেকে কিছু পণ্য কিনেছিলেন। পণ্যের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়েও বেশি টাকা রাখা হলো। এর প্রতিবাদ করায় তারা বলছেন, কিছুই করার নেই।

এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন আপনি। তদন্তে অভিযোগ প্রমানিত হলে পেতে পারেন জরিমানার ২৫ শতাংশ টাকাও।

২০০৯ সালে এমন বিধান রেখেই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন করা হয়েছিল। ভোক্তা হিসেবে কারও কোনো অভিযোগ থাকলে এ আইনের বলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নামে একটি সরকারি দপ্তরে গিয়ে অভিযোগ করা যায়। ওই দপ্তর অভিযোগ তদন্ত করে। প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে আছে জরিমানা বা কারাদণ্ডের বিধান। এক বছর থেকে তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি রাখা আছে বিধানে।

এর বিকল্প হিসেবে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যায়। দণ্ডিত ব্যক্তি আবার একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ পরিমাণের দ্বিগুণ দণ্ডের বিধান আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, জরিমানা হলে অভিযোগকারী ভোক্তাকে মোট জরিমানার ২৫ শতাংশ তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হয়।

‘অধিকার’ নারায়ণগঞ্জ ইউনিটির সমন্বয়ক সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন রবিন বলেন, আমাদের জেলায় ভোক্তা অধিকার দিবস সম্পর্কে কোনো কর্মসূচি বা পদক্ষেপ দেখা যায় না। অনেকে তো জানেই না ভোক্তা অধিকার কি জিনিস। বেশীর ভাগ দোকানেই পণ্য মূল্যের নায্য দামের বেশী দাম রাখছে। এত করে সবাই সবার এই অধিকার থেকে ক্ষুন্ন হচ্ছে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের উচিৎ সর্বস্তরের মানুষদের এ বিষয়টিকে সচেতন করা ও সঠিক অধিকার ভোগ করতে দেয়া। কেননা প্রায়ই সকলেই বঞ্চিত হচ্ছে এই অধিকার থেকে।

তবে, ব্যাপারটি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, এবারের ভোক্তা অধিকার দিবসের স্লোগান ‘মুজিববর্ষের অঙ্গিকার সুরক্ষিত ভোক্তা অধিকার’। আমরা সবার অধিকার ও সর্বস্তরের মানুষদের এই সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি। এছাড়া যে ভাবে সবাই সঠিক অধিকার ভোগ করবে; সে দিকটাতেও নজর দিচ্ছি।

0