আধুনিক প্রযুক্তিতে চলছে সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের প্রস্তুতি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমানের ঘোষণা অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ঈদগাহ ময়দান। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ও তার উত্তর পাশের সড়ক সংলগ্ন সামছুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে মিলিয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে বৃহৎ ঈদগাহ ময়দানের। যেখানে এবার আয়োজন করা হবে জেলার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের। গত ঈদুল আজহার ধারাবাহিকতায় এবারও ঈদুল ফিতরে লক্ষাধীক মুসল্লি এ যে ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন, তার পূর্ণ প্রস্তুতি চলছে এখন । সাংসদ শামীম ওসমানের স্বপ্ন বাংলাদেশের বৃহৎ জামাতের পাশাপাশি সুন্দর-মনোরম পরিবেশ ও মদিনার আদলে ঈদ জামাত আদায়ের।

ঈদগাহ ময়দানে গিয়ে দেখা যায়, চিরাচরিয়ত বাঁশ, কাঠের তৈরি ঈদগাহের প্যান্ডেল, সামিয়ানা ও ত্রিপল এর পরিবর্তে স্থাপন করা হচ্ছে এলমনিয়াম ও শতভাগ ফায়ার প্রুপ আধুনিক ত্রিপল। সামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে মুসুল্লিদের প্রবেশের জন্য তৈরি করা হয়েছে ৩টি বিশাল আকারের গেইট। পুরো গেইট জুড়েই প্রিটিং করা রয়েছে আরবী হরফে আল্লাহর বিভিন্ন নাম। মিম্বারের সামনের অংশও প্রায় একই আদলে করা হয়েছে।

অন্যান্য সময়ে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ঈদগাহ ময়দানের ছাউনি করা হলেও এবার স্টীল স্ট্রাকচার দিয়ে কাজ করছেন শ্রমিকরা। ময়দানের মাঝে স্তুপ করে রাখা হয়েছে কার্পেট। পাশাপাশি তাবুর নিচের অংশে সারি বদ্ধ ভাবে টানানো হচ্ছে কোরআন ও বিভিন্ন হাদিসের বাণীতে ব্যানার। একই কাজ করা হচ্ছে মূল ঈদগাহের মাঠেও। এ ময়দান নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ‘স্টার ইভেন্ট লজিস্টিক’ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১লাখ ২০ হাজার স্কয়ার ফুট এলাকা জুড়ে ৪টি বিশালাকার ছাউনি বসানো হয়েছে। এ যে কাজে দায়িত্ব পালন করনে ৪৫ জন শ্রমিক।

এছাড়া মাঠে থাকবে সাজসজ্জার জন্য লাইটিং, মুসল্লিদের সুবিধার্থে টেন্টের ভিতরে বৈদ্যুতিক পাখা। এছাড়া কার্পেটের উপরে সাদা কাপড় বিছানো থাকবে।

জানা গেছে, এখানে নামায আদায় করেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন, সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ সাধারণ মুসল্লিরা।

এ বিষয়ে কথা হয় ঈদগাহর মাঠ নির্মাণের তত্বাবধানে দায়িত্বে থাকা আবুল বাশার এর সাথে। তিনি বলেন, ‘৩০ ’মে থেকে কাজ শুরু করেছি। আশাকরি ৩ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে। মিনারের আদলে অস্থায়ী ত্রিপাল করছি, সে গুলো নামাজ শুরু হওয়ার এক ঘন্টা আগে সড়কে বসিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, রাস্তা ও ক্রীড়া কমপ্লেক্সের কাতার একই সাড়িতে থাকবে।’

0