আর আগাবেন না, গায়ে কাপড় থাকবে না: চন্দনশীল

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি চন্দনশীল বলেছেন, খন্দকার মোশতাকের স্বাধীনতা বিরোধী চক্র আওয়ামী লীগের ভিতরে অনুপ্রবেশকারী, যারা উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন, কোন আন্দোলন বা লড়াই সংগ্রামে দেখি নাই। তারা উড়ে এসে জুড়ে বসে আওয়ামী লীগের ক্রিম খাচ্ছেন, মাখন খাচ্ছেন, তারা এজেন্সি হিসেবে কাজ করছেন আমাদের প্রিয় নেতা ও আমাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর। আজে বাজে কথা বলছেন। এখানে দাড়িয়ে আমি আর বেশি কথা বলতে চাই না। আর নাম তো উচ্চারণই করতে চাই না। শুধু হুশিয়ার করে দিতে চাই, থামেন। আপনার রূপ চিহ্নিত হয়ে গেছে। আর আগাবেন না, গায়ে কাপড় থাকবে না। সাধারণ মানুষেরটা খেয়েছেন। আজ হিন্দুদের দেবোত্তর সম্পত্তি ছাড়ছেন না। মসজিদ, মাদরাসা খেয়ে ফেলতে চাচ্ছেন। সত্যি কথা বললে ‘হুমকি’ দিচ্ছেন। সত্যি কথা বলার কারণে ‘খোকন সাহা’র নামে মামলা দিয়েছেন। সাজনু, হেলাল এদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ হয়ে আপনি আওয়ামী লীগের নামে মামলা দিয়ে, নাকে তেল দিয়ে ঘুড়ে বেড়াবেন, সেটা আমরা বরদাশত করবো না।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাষাঢ়া জিয়া হল প্রাঙ্গনে একেএম শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাবু চন্দনশীল আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ হলো আওয়ামী লীগের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাটি। নারায়ণগঞ্জে দৃশ্যমান যত উন্নয়ন, সব উন্নয়নের রূপকার হলো ওসমান পরিবার। নারায়ণগঞ্জে অনেক বাঘা বাঘা নেতা আছেন, কিন্তু ৭৫’এ কাউকে রাস্তায় নামতে দেখি নাই। নাম বললে চাকরি থাকবে না। অনেককে খন্দকার মোশতাকদের সমর্থন করে মিষ্টি বিলাতে দেখেছি। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা ছিলো। জনপ্রিয়তা ছিলো অনেক। আপনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেন না। ৭৫ এ আপনি অনেক বড় ও দায়িত্বশীল নেতা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জোহা সাহেবসহ নারায়ণগঞ্জের অনেক নেতা জেলে গেলো। আপনি বসে বসে নারায়ণগঞ্জের বাতাস লাগিয়ে ঘুরলেন। আপনার নেতৃত্ব নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। প্রশ্ন করে যাবোই এবং উত্তরও আদায় করবো। তাদের বংশধর যখন নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের কান্ডারী শামীম ওসমানকে নিয়ে উল্টো পাল্টা কথা বলে তখন আমি অবাক হয়ে যাই।

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি শান্ত রহমান, সদস্য সচিব জে আর রাসেল সঞ্চালনায়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম সংসদের আহ্বায়ক এইচ এম রাসেলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, সিনিয়র সহসভাপতি চন্দনশীল, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, জেলা আদালতের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, জেলা হকার্সলীগের সভাপতি রহিম মুন্সি, ব্যাংক কর্মচারি ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল কাদির প্রমুখ।

0