আলিফ হত্যা: আসামী বললেন, ‘লজ্জা লাগবো কেন?’ (ভিডিওসহ)

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: পায়ে ডান্ডা বেরী, হাতে করা; এমন এজন ব্যক্তিকে প্রিজন ভ্যানে তুলছিলেন পাঁচের অধিক পুলিশ সদস্য। এসময় এসে হাজির হয়েছে বেশ সাংবাদিকরা। তুলছিলেন ছবিও।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুর পৌনে ২টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে এচিত্র দেখা যায়।

ওই সময় এক সাংবাদিক ছবি তুলতে গিয়ে বলেন, ক্যামেরার দিকে তাকাতে লজ্জা লাগে? জবাবে আসামী বলে উঠেন, ‘লজ্জা লাগবো কেন, আমি কি মাডার করছি?’

এর আগে, দুপুর দেড়টার কিছু ক্ষন পরেই চাঞ্চল্যকর চার বছরের শিশু আলিফ হত্যা মামলায় ওই আসামীকে ফাঁসির নির্দেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

মৃতুদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন নোয়াখালীর চর জব্বার ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মাকসুদ মিয়ার ছেলে মো. অহিদুল ইসলাম ওরফে অহিদুল (২১)। সে শহরের জল্লারপাড় এলাকার আমহাট্টা এলাকার খোকন মিয়ার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো।

এপিপি ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, আরিফ হত্যা মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় হাতে নেই। মামলাটি দ্রুত নিস্পতি করতে প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। তারই ধারাবাহিতকতায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখ চার্জশীট গঠন করা হয়। ২ মাসে ১৬ জন স্বাক্ষির মধ্যে ১৪ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ ও যুক্তি তর্ক শেষ করার পর আজ আদালত মামলার রায় প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৬ আগষ্ট জল্লাড়পাড় আমহাট্টা এলাকায় সৌদি প্রবাসী আলমগীর হোসেনের ছেলে আলিফ সকাল ১১টা নিখোঁজ ছিলো। অন্য বাচ্চাদের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন বিকেলে পাশের বাড়ির নান্নু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া অহিদ ও রিপন নামের দুইজনের ভাড়া ঘর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু আলিফের লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এঘটনায় নিহতের বাবা সৌদি প্রবাসী আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে পরদিন ১৭ আগষ্ট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পূর্বের নিউজ পড়তে ক্লিক করুন

আলিফের মায়ের দাবি ‘ আসামীর দ্রুত ফাঁসি দেওয়া হক’ (ভিডিওসহ)

শিশু আলিফ হত্যা মামলায় ১ জনের ফাঁসি

0