আসা যাওয়ার মধ্যে লাভ নেই: ডিস‌ি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কর্মসূচি হয়- আপনারা আসেন, জানেন, তারপরে চলে যাবেন। কিন্তু কাউকে কিছু জানান না। পরবর্তীতে কিছু জানতে চাইলে বলতেও পারেন না অনেকে। এ আসা যাওয়ার মধ্যে লাভ নেই। লাভের মধ্যে এতটুকুই ‘ভালো খাবার আর কিছু সম্মানি’।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১ টার চাঁনমারি হিমালয় কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক এক সেমিনারে অংশগ্রহণ কারীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহাখালি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এএসপি টিবিএল লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা, আবু জাহের।


জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের সবার যার যার জায়গা থেকে অনেক বেশি কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এখান থেকে যে যাই শিখে যাবেন, সেই সব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরো বেশি সচেতন করবেন। যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য ব্যধি। এ দেশের মানুষের অনেকেই এ সর্ম্পকে অবগত নন। তাই সাধারণ মানুষকে যক্ষ্মার বিষয়ে আরো বেশি সচেতন করতে হবে। তা হলে এই কর্মসূচি সফল হবে। যক্ষা রিলেটেড সকল ডায়াগোনোসিস ও ওষুধপত্র হাসপাতালে ফ্রি দেয়া হয়। আসুন, যক্ষ্মা আক্রান্ত হলে সংকোচ না করে চিকিৎসা নেই; সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি।

নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, সকলে কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে প্রচার-প্রচারণার মধ্যে দিয়ে যক্ষ্মা বা টিভি প্রতিরোধ সম্পর্কে ছড়িয়ে দিতে হবে। যারা অসচেতন, তাদের সচেতন করতে হবে। তাদের চিকিৎসার আওয়াতাধীন আনতে হবে। তা না হলে এ সকল রোগ র্নিমূল করা সম্ভব হবে না। বর্তমানে লাখ প্রতি ২২১ জন রোগী। বিভিন্ন রকমের প্রচার-প্রচারণা, তাদের মনোবল ও সাহস যোগীয়ে চিকিৎসার আওয়াতায় আনা যায়। তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে লাখ প্রতি ৯% নিয়ে আসতে পাড়বো।


জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিভাগীয় যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞ ডা. আহমেদ পারভেজ জাবীন বলেন, আজকে এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একটাই নারায়ণগঞ্জ জেলাকে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও মুক্ত করা সম্পর্কে অবগত করানো। সকলকে সচেতন করতে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অবগত করে চিকিৎসাধীন এনে যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়তে হবে।

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।

এসময় আরো ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহিন্দ্র কুমার মন্ড, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. বসির উদ্দিন, সহকারী কমিশনার মো. জাকির হোসেন, জেলা ইপিআই সুপার মো. লুৎফর রহমান, সিভিসার সার্জন অফিসের পিও মো. আলতাফ হোসেন, জেলা স্বাস্থ্য অফিসার স্বপন কুমার দেবনাথ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফাইন্ডেশনের প্রতিনিধি, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, ব্রাক ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বিশেষঞ্জ চিকিৎসকবৃন্দরা।

0