আ.লীগ নেতা মোস্তফা কামালের বাড়িতে কিশোরীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামালের বাড়িতে এক কিশোরীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটলেও বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দুপুরে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে অভিযুক্ত ২ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার নদুনেফরা গ্রামের মজিব মিয়ার পুত্র ও ফতুল্লা থানার রামারবাগ মোস্তফা কামালের বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার ৪১৫ নং রুমের ভাড়াটিয়া নুর আলম (২৫), কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার কামারহাট গ্রামের আ. হালিম মিস্ত্রির পুত্র ও ফতুল্লা থানার সস্তাপুর কাস্টম রোড আলাউদ্দিন এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া মো. রাজু মিয়া (৩২)।

ধর্ষিতা কিশোরী জানায়, সে স্থানীয় একটি স্পিনিং মিলে কাজ করে এবং নুরে আলম নামক একটা ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেই প্রেমের সূত্র ধরে ২৯ জুন দুপুরে ধর্ষিতা কিশোরী তার প্রেমিকের সাথে দেখা করতে রামারবাগের মোস্তফার বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার ৪২১ নাম্বার রুমের ভাড়াটিয়া বাসায় যায়। সেখানে গেলে নুরে আলমের বন্ধুরা তাদের বিয়ে করিয়ে দেওয়ার কথা টাকা সংগ্রহের তাগিদ দেয়। পরে ওই কিশোরীকে বন্ধুদের কাছে রেখেই টাকা আনতে বের হয় নূরে আলম। এক পর্যায়ে ধর্ষকরা বিয়ে করিয়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধর্ষকরা তার প্রেমিকের এখানে নিয়ে যাবার কথা বলে তাকে শিবু মার্কেটে বাসস্ট্যান্ডে দাড় করিয়ে রেখে চলে যায়।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক সুকান্ত দত্ত জানান, প্রেমিকের বন্ধুদের মাধ্যমে কিশোরীটি ধর্ষিত হয়েছে। পরে ১ জুলাই দুপুরে ওই কিশোরী তাঁর পিতাকে নিয়ে থানায় আসলে তৎক্ষনাৎ অভিযান চালানো হয়। ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্ত দুই ধর্ষক নুর আলম ও রাজু কে গ্রেফতার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষনের কথা স্বীকার করেছে।ধর্ষনের ঘটনায় মামলা পক্রিয়াধীন।

0