ইচ্ছে একটাই, অন্যের সেবায় এগিয়ে যাওয়া: নাজমুল আলম

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘ছোটবেলায় জন্মদিনে মা আমার জন্য রান্না করতেন আমার পছন্দে খাবার। এছারা প্রত্যেক বছর অনেকটা ঘটা করেই আমার জন্মদিন পালন করা হতো।’

এভাবেই জন্মদিন নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ড সিটি কাউন্সিলর মো. নাজমুল আলম সজল। ১৯৭০ সালের এই দিনে ময়মনসিংহ জেলার গফর গাও থানার মশাখালি উপজেলার মুখিয়া গ্রামে তার নানীর বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন। শেখ মো. নিজাম আলম ও সৈয়দা নিলুফা আলম দম্পতির বড় সন্তান। শৈশব কাটে দেওভোগে। মা-বাবার ইচ্ছে ছিল ছেলে হবে মানুষের মতো মানুষ। কিন্তু ছোট বেলায় তার ইচ্ছে ছিল খেলওয়ার হওয়ার। ভালবাসতেন ক্রিকেট খেলতে । কিন্তু রক্তের সাথে মিশে ছিল রাজনীতি।

শৈশব থেকেই খুব ডানপিটে ছিলেন তিনি। যখন স্কুল ফাঁকি দিয়ে খেলতে যাওয়া ছিল তার উদ্দেশ্য, পিঠে মার পরেছে স্নেহের মা-বাবার। ১৯৮৭ সালে গণবিদ্যা নিকেতন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৮৯ সালে তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় সম্পন্ন করেন।

বাবাকে দেখেই রাজনীতি চর্চা শুরু করেন। মূলত বাবার কাছে তার রাজনীতির হাতেখড়ি। তিনি হোসিয়ারী ব্যবসার সঙ্গে জরিত ছিলেন। এছাড়া একজন সমাজ সেবক ও কাউন্সিলরও হয়েছেন। রাজনীতিতে তিনি ছিলেন পরক্ষভাবে জড়িত। তার মা ছিলেন একজন গৃহিণী। বাবার আদর্শকে লালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এ.কে.এম শামীম ওসমানের উদ্দীপনায় কার্যকরী সদস্য পদের মধ্য দিয়ে ১৯৯৪ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি সর্বপ্রথম মহানগর যুবলীগের সদস্য ছিলেন। এরপর মহানগর সেচ্ছা সেবকলীগ এর সভাপতি হন।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে কথা হয়েছে নাজমুল আলম সজলের সাথে। আলাপকালে তিনি বলেন, আজ রাত ১২টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কেক কেটেছি। ভুনা খিচুরি ও গরুর মাংস খেতে ভালোবাসি। আর আমার স্ত্রী তাই রান্না করেছিলেন। আমার বন্ধুরা ট্রিট আশা করেছিলেন, জন্মদিন উপলক্ষে তাদের ট্রিট দিয়েছি। এছাড়াও আরো কিছু করার প্ল্যান আছে।

তিনি বলেন, সমাজসেবা ও বাবা-দাদাদের দেখেই কাউন্সিলর হওয়ার ইচ্ছে জাগে। সমাজের লোকের জন্য গ্রামের লোকের পাশে দাড়াতে কাউন্সিলর এর পদে আশা। এর মধ্যে বাবা-মায়ের পছন্দে ২০০১ সালে নিলুফা আক্তারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। তারই ধারাবাহিকতায় আল্লাহর রহমতে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক হই। আল্লাহ আমায় যেমন দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া। শুধুই ইচ্ছে, অন্যের সেবায় নিজেকে যেন ব্রত রাখতে পারি। সবসময় থাকতে চাই মানুষের পাশে। সর্বদা চেষ্টায় থাকবো কারো অপকার না করার।

বর্তমানে কাউন্সিলর পদসহ নিষ্ঠার সাথে বাংলাদেশ হোসেয়ারি এসোসিয়েশন এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। অবসর সময় কাটান খেলাধুলা যেমন- পুল, ব্যাট মিন্টন, ক্রিকেট খেলা দিয়ে। প্রিয় ফুল গোলাপ ও প্রিয় রঙের ক্ষেএে তিনি প্রকৃতি প্রিয়; একেক সময় তার একেক রঙ ভালো লাগে।

বাকি জীবনে আশুক অজস্র সুখময় সময় এই প্রত্যাশায় লাইভ নারায়ণগঞ্জের পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভ কামনা।

0