ঈদুল আজহা : না.গঞ্জে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ‘খাটিয়া’

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ঈদুল আজহা সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ কদর বেড়েছে তেঁতুল গাছের তৈরি খাটিয়ার (গাছের খণ্ড)। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে নগরী ও আশপাশের এলাকায় খাটিয়ার চাহিদা থাকে প্রচুর। তাই ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ব্যবসায়ীরাও চড়া দামে তেঁতুল গাছের তৈরি এ খাটিয়া বিক্রি করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার পশু কোরবানির পর মাংস টুকরা করতে প্রয়োজন হয় খাটিয়ার। যাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাংস ভালোভাবে কাটা যায়। সব গাছ দিয়ে খাটিয়া তৈরি করা যায় না। খাটিয়া তৈরি করতে প্রয়োজন তেঁতুল গাছের। এ গাছ ছাড়া অন্য গাছ দিয়ে খাটিয়া তৈরি করলে গাছের গুঁড়ি উঠে মাংসের মান নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঈদুল আজহা এলেই তেঁতুল গাছের চাহিদা বাড়ে। কাঠ ব্যবসায়ীরা গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে তেঁতুল গাছ সংগ্রহ করে স’মিলে খণ্ড করে খাটিয়া তৈরি করেন।

খাটিয়া কিনতে আসা যুবক রেহমান বলেন, পশু কোরবানির পর টুকরো করার জন্য খাটিয়া প্রয়োজন। আজ (গতকাল) কোরবানির পশু কিনেছি। এবার মাংস টুকরো করার জন্য খাটিয়া কিনতে এসেছি। কিন্তু ছোট্ট একটি খাটিয়া ৩০০ টাকার কমে পাওয়া যাচ্ছে না। আগে এগুলো ১০০-১৫০ টাকায় পাওয়া যেত।

খাটিয়া বিক্রেতারা জানান, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ছোট, মাঝারি ও বড় তিন ধরনের খাটিয়া রয়েছে। একটি ছোট খাটিয়া ৩০০ টাকা, মাঝারি ৪০০ ও বড় একটি খাটিয়া ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

ব্যবসায়ী কামাল সিকদার জানান, বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে তেঁতুল গাছ পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। যাওবা পাওয়া যায় তা চড়া মূল্যে কিনতে হয়। ফলে তেঁতুল গাছ দিয়ে তৈরি খাটিয়ার দামও আগের তুলনায় একটু বেশি নিতে হচ্ছে।

স’মিলের শ্রমিক মামুন সরদার বলেন, কাঠ ব্যবসায়ীরা এক সিএফটি তেঁতুল গাছ ৩০০ টাকা দরে কেনেন। এক সিএফটি গাছে বড়, ছোট ও মাঝারি মিলিয়ে কমপক্ষে চারটি খাটিয়া তৈরি করা হয়; যা ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। এতে কাঠ ব্যবসায়ীরা ভালোই লাভবান হচ্ছেন।

0