একদিন আগেই ফতুল্লায় ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন হচ্ছে ঈদুল ফিতর

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিরা পড়েছে মাস্ক এবং নিজস্ব টুপি। কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে করেছে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ। এমন কি ঈদের নামাজের পর কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলায়নি। করোনা পরিস্থিতিতে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন করা হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত।

র‌বিবার (২৪ মে) সকাল পৌনে ১০টায় ফতুল্লার লামাপাড়ায় হযরত শাহসুফি মমতাজিয়া মসজিদে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে র‌বিবার চাঁদ দেখে সারা দেশে ঈদ উদযাপিত হবে সোমবার। তবে, এ মসজিদে জাহাঁগিরিয়া শাহসুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা বরাবরই রোজা, ঈদ, শবে-বরাত, শবে-মেরাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে।

প্রতি বছরের মতো এবারও গাজীপুরের টঙ্গী, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, পুরান ঢাকা, ডেমরা, সাভার এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, বন্দর ও সোনারগাঁ উপজেলা থেকে শতাধিক মুসল্লি এই জামাতে অংশ নেয়।

ভোর সকাল থেকেই মসজিদে আসতে শুরু করে মুসল্লিরা। মসজিদে হাত ধুয়ে প্রবেশ করেন।

ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক এবং নিজস্ব টুপি পরতে পরে। যারা মাস্ক নিয়ে আসেনি, সে সকল মুসল্লীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে। অনেকে নিজ নিজ দায়িত্বে নিয়ে এসেছে জায়নামাজ। ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়িয়েছে।

এ সময় মসজিদ কমিটির সভাপতি জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পরে হাত মেলানো পরিহার করার জন্য অনুরোধ করেন।

সকাল পৌনে ১০টায় শুরু হয় ঈদ জামাত। শতাধিক মুসল্লি এই জামাতে অংশ নেয়। নামাজে ঈমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মো. আলাউদ্দীন। করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আল আমিনের দরবারে দোয়া করা হয়।

ফতুল্লার শাহসুফি মমতাজিয়া এতিমখানা ও দরবার শরীফের সভাপতি এমএ মোরশেদ আলী জানান, তারা হানাফি মাযহাবের অনুসারী। এই মতে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে ঈদ পালন করার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ীই তারা রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। এ বছর করোনা পরিস্থিতিতে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন করা হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত। তবে, হাদিসেও এমন পরিস্থিতে ঈদ জামাতের বিধান রয়েছে।

0