এনসিসির ই-ট্রেড লাইসেন্স: ৩ মিনিটের সেবা ৩ দিনেও পাচ্ছে না

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ৫ অংশীদার নিয়ে ব্যবসা শুরু করছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা পারভেজ আহম্মেদ (ছদ্মনাম)। ব্যবসার প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ই-ট্রেড লাইসেন্স করবে। কিন্তু সকল নিয়ম মেনেও গত ৩ দিন ঘুরে কাঙ্খিত সেই ই-ট্রেড লাইসেন্স হাতে পায়নি।

একই সমস্যায় আছে জহিরুল ইসলামও (ছদ্মনাম)। সকল নিয়ম মেনেও নিজ বাড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ই-ট্রেড লাইসেন্স করতে পারছে না।

ট্রেড লাইসেন্স মানে ব্যবসার অনুমতি পত্র। সিটি কর্পোরেশন কর বিধি, ২০০৯ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সূচনা ঘটে।

এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। যে কোন বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতে ট্রেড লাইসেন্স শুধুমাত্র লাইসেন্সধারী ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নামে প্রদান করা হয় হয়।

উদ্যোক্তাদের অতিপ্রয়োজনিয় এই ‘ট্রেড লাইসেন্স সহজ ও ঝামেলা মুক্ত উপায়ে’ নারায়ণগঞ্জ সিটির বাসিন্দাদেরকে দিতে চলতি বছরের ২৪ মে ‘ই-ট্রেড লাইসেন্স’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। মাত্র ৭ মাসের ব্যবধানে সহজ ও ঝামেলা মুক্ত সেই সেবাই গলার কাটাঁ কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী উদ্যোক্তারা জানান, ‘ব্যবসায়ী অংশদারীতের প্রমান হিসেবে রোটারী করা দলিলের কপি দেওয়া হয়েছে। তারপরেও ৩ দিন ধরে চেষ্টা করেও ই-ট্রেড লাইসেন্স পাচ্ছি না।’

আরেক ভুক্তভোগী জানালেন, ‘নিজ বাড়িতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছি। প্রমান হিসেবে বাড়ির দলিলের কপিও দিয়েছি। তারপরেও ই-ট্রেড লাইসেন্স কার্যক্রমের প্রক্রিয়া আটকে আছে বেশ কয়েক দিন যাবৎ।’

সদ্য ই-ট্রেড লাইন্সেস পাওয়া এক নারী জানান, ‘ ভাড়া বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী মিলে অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করছি। বাড়ি ভাড়া নিলেতো কেউ চুক্তিপত্র করে ভাড়া নেয় না। কিন্তু ই-ট্রেড লাইসেন্স করতে ভাড়া বাড়ির চুক্তিপত্র চাওয়া হয়। পরে সম্প্রতি বাড়িওয়ালার সাথে নতুন করে চুক্তিপত্র করে ই-ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়েছে। তবে, এ জন্য বেশ কয়েক দিন ঘুরতে হয়েছে, অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে।’

এ ব্যাপার অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ই-ট্রেড লাইসেন্স শাখার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ‘নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে আমরা সাথে সাথেই ই ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে থাকি।’

0