এহসান চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের গুঞ্জন!

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: জন্ম নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ ৩৩ লাখ ৭২ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের গুঞ্জন উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে, ইউপি সচিব বলছেন, ‘বিষয়টি জানা নেই’।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে এহসান উদ্দিন আহমেদকে বরখাস্তের গুঞ্জন ছড়িয়ে পরে পুরো নারায়ণগঞ্জ জুড়ে।

গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে, ‘স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। চূড়ান্তভাবে তাকে কেন বরখাস্ত করা হবে না সে বিষয়ে জানতে চেয়ে চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।’

তবে, বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হতে নারায়ণগঞ্জ স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক ও বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে এ বিষয়ে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদকে ফোন করলে দেখা যায় তার ফোনটিও বন্ধ।

এছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়নেও এধরণের আদেশ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বন্দর ইউপির চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের ব্যাপারটি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মো. শওকত হোসেন সৈকত জানান, চেয়ারম্যানের বহিস্কারের কোন খবরই পায়নি। তবে, এর সত্যতা সকালে জানা যাবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ এই দুই অর্থ বছরের জন্ম নিবন্ধন ও ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত ছয় মাসের ট্রেড লাইসেন্স খাতে আদায়কৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ছিল বন্দর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ ও তার সচিব মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে। পরে এঘটনা তদন্তে নামে স্থানীয় সরকার বিভাগ। অভিযোগের প্রমান পেয়ে ইউপি সচিবকে বরখাস্ত করা হলেও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এমনকি আত্মসাৎকৃত টাকাও আদায় করা হয়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

0