করোনাই দেখাল, শফিউল্লাহর মন কত বড়

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: সবাই এগিয়ে আসছেন। সবাই বুঝছেন, করোনার বিরুদ্ধে এ লড়াইটা কারওর একার না, সবার। তাই বসে নেই কেউ। যে যেভাবে পারছেন, করোনা সাহায্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ সাহায্য দিতে গিয়ে এক যুবক যা করলেন, নারায়ণগঞ্জবাসীর মনে থাকবে আরও অনেক বছর।

অনেকেই বলেন, মহাবিপদের সময় মানুষের আসল রূপ বোঝা যায়। আসলেই একজন মানুষ ভালো নাকি খারাপ, সেটা বের হয়ে আসে। যেমনটা বেরিয়ে এল ওই যুবকের ক্ষেত্রেও। সামর্থের সব টুকুই দিতে চেষ্টা করেছে মানুষের জন্য।

আর সেই কথাটুকুই তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের জনপ্রিয় কাউন্সিলর খোরশেদ আলম খন্দকার।

খোরশেদ আলম খন্দকার লিখেছেন, ‘নাম তার মো. শফিউল্লাহ। একজন ছাত্র। ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ায় বিএসসি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ অধ্যয়নরত। পিতা কবি নজরুল কলেজের সাবেক ক্লার্ক। সে পড়াশোনার টাকা যোগার করতে জমানো কিছু টাকা দিয়ে পুরাতন একটা পিকআপ ভ্যান কিনেন। অবসরে নিজের কেনা ছোট পিকআপ গাড়ীটি নিজেই চালায়। শুরুতে ড্রাইভার থাকলেও, লস হওয়ায় এখন নিজেই চালক। জন্ম ঢাকার রায়েরবাগে হলেও বাবার পেনশনের টাকায় বাড়ী করেছেন জালকুড়িতে। আমাদের করোনা আক্রান্ত মরদেহ সৎকারে উৎসাহিত হয়ে তিনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। বলেন, তিনি তার গাড়ীটি ও নিজে আমাদের সাথে সম্পৃক্ত হতে চান। বিষয়টি আমাদের জন্য মেঘ না চাইতে বৃষ্টি পাওয়ার মত। আল্লাহর রহমত আমাদের প্রতি। তেলের খরচ শুধু আমাদের দিতে হবে। সে গাড়ী ভাড়া নিবে না। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সে না চাইলেও আমরা তার পড়াশোনা খাতে আমরা পাশে দাড়াবো, ইনশাল্লাহ। স্যালুট শফিউল্লাহ।’

0