করোনা আতঙ্কে এনসিসি’র ২৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা

0

বন্দর করেসপন্ডেট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ড বাসীন্দাদের মধ্যে। সরকারি কদম রসুল কলেজ থেকে শুরু করে নবীগঞ্জ কবিলের মোড় পর্যন্ত এনসিসি ময়লা আবর্জনা অপসারণে ধীরগতি ও কোন প্রকার জীবানু নাশক স্প্রে না ছিটানোর কারণে কবিলের মোড়, নূরবাগ, রসুলবাগ, পূর্বপাড়াসহ আশপাশের এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

এনসিসি ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের কোন প্রকার কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

শহরের রাস্তায় এনসিসি জীবানুনাশক স্প্রে করলেও বন্দরের এনসিসি ২৩নং ওয়ার্ডে রাস্তায় বা বাড়ির আশপাশে আজো পর্যন্ত জীবানু নাশক স্প্রে ছিটানো হয়নি। যার কারণে এলাকার মানুষ হাঁচি, কাশি রোগে ভোগছে। করোনা ভয়ে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় করতে রাস্তায় পর্যন্ত বের হতে সাহস পাচ্ছে না। আর এ কারণে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ ও নিন্ম আয়ের মানুষ।

এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে মনির ভান্ডারী বলেন, আমরা কপাল পোড়া মানুষ আমাদের এলাকার কাউন্সিলর সরকারি দলের থাকলেও তিনি কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। শহরসহ এনসিসি ২১ ও ২২ নং ওয়ার্ডে প্রতিদিন রাস্তায় জীবানু নাশক স্প্রেসহ জীবানু নাশক পানি দিয়ে রাস্তায় ছিটানো হচ্ছে। কিন্তু, ২৩নং ওয়ার্ডে কোন কার্যকর ভূমিকা রাখছে না কাউন্সিলর দুলাল প্রধান।

সোহেল সরদার বলেন, সরকারি নির্দেশনা ও বরাদ্ধ থাকার পরও ২৩ নং ওয়ার্ড়ে কোন কাজ হচ্ছে না। আমরা চরম উৎকন্ঠার মধ্যে বসবাস করছি।

সোলেমান ফকির ও মিলন মিয়া বলেন, আমরা এতই হতভাগা আমাদের এলাকা করোনা প্রার্দুভাব মুক্ত রাখতে এনসিসি কাউন্সিলরকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না।

আবুল ভান্ডারী ও আবুল হোসেন বলেন, দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলেও এনসিসি’র পরিছন্ন কর্মীরা রাস্তার পাশ থেকে ময়লা আবর্জনা অপসার করে না। ২/৩ দিন পর এসে ময়লা আবর্জনা অপসারন করে আর এ সময়ের মধ্যে ময়লা পঁচে গিয়ে এলাকায় রোগ জীবানু ছড়াতে থাকে। মনে হয় আমাদের এলাকার জন্য কোন সরকার নেই। আমরা করোনা থেকে মুক্তি পেতে চাই। কিন্তু কাউন্সিলর দুলাল প্রধান আমাদের এই বৃহত্তম এলাকায় কোন হাত ধোয়ার ব্যবস্থা বা মাস্ক বিতরণের মতোও কোন ব্যবস্থা হাতে নেয়নি। তিনি শুধু তার কার্যালয়ের সামনে সামান্য জীবানু নাশক স্প্রে করে নিজেকে সুরক্ষা রেখে চলেছেন। তার ওয়ার্ডবাসীর জন্য কোন চিন্তাই তিনি করেননি।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের মোবইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

0