কাগজের সইয়ে সীমাবদ্ধ কাজ, উন্নয়ন পরিকল্পনায় নেয়া হয় না মতামত: সজল

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘কাউন্সিলর হিসেবে আমি জনগণের চাহিদা মেটাতে পারিনি। আমাদের সড়কগুলোর উন্নয়ন দেরিতে হচ্ছে। তার উপর বেশি দিন রাস্তা টিকেও থাকে না। আবার এলাকার রাস্তার পাশে দরকার প্রশ্বস্ত ড্রেন। অনেক জায়গায় উচু নিচু থাকার কারণে ড্রেনে ময়লা জমে যায়। তখন পানির চলাচল ঠিক মত হয় না। অল্প বৃষ্টিতে রাস্তা জলাবদ্ধ হয়ে যায়। চেষ্টায় আছি এসেব সমাধানের।’

রোববার (৫মে) দুপুর সাড়ে ১২ টায় ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজল লাইভ নারায়ণগঞ্জকে এসব কথা বলেন। ৫ মে, সিটি করপোরেশনের প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পূর্ণ হলো। সময়ের সাথে নানা চড়াও-উৎড়াও পেড়িয়ে জেলার নানা উন্নয়নে হাত দিয়েছে সিটি করপোরেশন। যার জন্যে বিভিন্ন সময়ে জনগণের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এনসিসি। আবার কখনও এই জনগণের থেকে পেয়েছে তিরস্কার।

সিটি করপোরেশনের ৯ বছরের পথচলা নিয়ে লাইভ নারায়ণগঞ্জকে নিজের মতামত জানিয়েছেন এনসিসির ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজল।

সজল বলেন, আমার একটা ইচ্ছে ছিল- নাগবাড়ী থেকে ডায়মন্ড হল পর্যন্ত সড়কটি পুন. নির্মাণ করতে চেয়েছিলাম। যেটা কার্পেট ছাড়া হবে অর্থাৎ সড়কটির স্থায়িত্ব বেশি হবে। তবে সে সড়কটি ২ থেকে ৩ ইঞ্চি কার্পেট করে সংস্কার করা হয়েছে। এইভাবে করাতে এক বছর পরে আবারও সড়কটা সংস্কার করতে হয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় কাজ করি। বছর-বছর কাজ না করে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন কজে হাত দিতে হবে। এর আগে পরিকল্পনা করতে হবে। এতে করে এলাকাগুলো আরও সুন্দর হবে।’

কাজে নিজের সীমাবদ্ধতার কথা বলে তিনি বলেন, আমাদের কাজ হল নাগরিক সুবিধা দেয়া। কেউ পাসপোর্ট করতে আসলো কেউ সনদপত্র নিতে আসলো, কারো জন্ম নিবন্ধন বা চারিত্রিক সনদপত্র লাগবে তখন আমি একটা সই করে দেই। এটাই আমাদের মূল কাজ। নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় আমাদের মতামত নেয়া হয় না। কাউন্সিলরদের প্রাধান্য দেয়া হয় না। তাই আমাদের তেমন কিছু করার নেই।

এলাকার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ওয়ার্ডকে একটা আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে পরিণত করতে চাই। আধুনিক ওয়ার্ড হওয়ার জন্য যা দরকার এলাকাবাসীর উন্নতমানের সেবা নিশ্চিত, ভালো যাতায়াতের সড়ক। এখানে চাই ভালো স্কুল, কলেজ, একটা খেলার মাঠ ও পুকুর। এগুলো বাস্তবায়নে নিজেকে মনোনিবেম করেছি। আবার মেয়র আইভীর বাড়ির সামনে যে পুকুর আছে, তার চারপাশে ওয়াকওয়ে করে দেয়া হলে ভালো হয়। এতে ভালো পরিবেশে তো হবেই, আবার সেখানে আমাদের মুরুব্বিরা হাঁটাচলা করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি আড়াই বছর হয়েছে। আমি অনেকগুলো কাজ দিয়েছি মেয়রের কাছে কিন্তু আমার আমার কাজগুলো করে দিতে অনেক দেরি হয়। আমি ১৭টা প্ল্যান দিয়েছি। এর মধ্যে ৯ টার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সবশেষে তিনি বলেন, আমার কাছে যে কোন বৈধ সাইন এর জন্য কোন মানুষ এসে ফিরে যায় নি। কোন মানুষ কাজ নিয়ে আসলে রাত্র ২টা হলেও আমি তার কাজটা করে দেই। আর এজন্য আমি সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়েছি।

৪২৭
0