কাজে আসছে না উদ্ধারকারী জাহাজ না.গঞ্জের ‘প্রত্যয়’

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ৬ আগস্ট মেঘনা নদীর গজারিয়ায় সার বোঝাই এমভি টপশিপ কার্গো ও গোবিন্দপুর এলাকায় আরেক মালবাহী কার্গো নিমজ্জিত হয়েছিলো।

এর আগে, ২৫ মে মেঘনা নদীর মিয়ারচর এলাকায় নিমজ্জিত হয় বালুবাহী বাল্কহেড এমভি সিয়াম। অথচ, এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি জাহাজ গুলোকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেঘনা নদীতে এ তিনটি কার্গো প্রায় কাছাকাছি স্থানে নিমজ্জিত হওয়ায় নদীপথ সরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ডুবোচরের আশপাশ।

একাধিক লঞ্চ মাস্টার জানান, এ সকল ডুবন্ত কার্গো গুলোর কারণে এখন স্বাচ্ছন্দ্যে নৌযান চলাচল করানো সম্ভব হচ্ছে না। বাল্কহেড ডুবির ঘটনার পর বড় লঞ্চগুলোকে অন্য রুট হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে খরচও।

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএ’র সূত্র জানায়, উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম অনেক আগেই যৌবন হারিয়েছে। ওই দুটি জাহাজের ক্রেনের উত্তোলন ক্ষমতা ৬০ টন করে। হামজা সংগ্রহ করা হয় ১৯৬৫ সালে, যা বর্তমানে আরিচা ফেরিঘাটে রয়েছে। রুস্তম সংগ্রহ করা হয় ১৯৮৪ সালে, যা বর্তমানে মাওয়া ফেরিঘাটে রয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর ২০১৩ সালে কোরিয়া থেকে আমদানি করা হয় প্রত্যয় নামে দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ। ২৫০ টন উত্তোলন ক্ষমতা সম্পুন্ন এ জাহাজটি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে রয়েছে। তবে প্রত্যয় পুরনো জলযান রুস্তম ও হামজার মতো একযোগে অন্য জলযানের সাথে উদ্ধার অভিযান চালাতে পারে না। এছাড়া গভীর পানি ছাড়া চলতে পারে না নতুন এ ভারি জাহাজ। ছোট ছোট নৌযান উত্তোলন করা গেলেও অত্যাধুনিক শক্তিশালী উদ্ধারকারী জাহাজ না থাকার কারণে ভারি নৌযান তোলা যাচ্ছে না। এতে বেশির ভাগ সময় কাজে আসছে না নারায়ণগঞ্জের এ প্রত্যয় জাহাজটি।

এ ব্যাপারে নৌসংরক্ষণ বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, ‘কোনো নৌযান ডুবে গেলে আমরা উদ্ধারের চেষ্টা করে থাকি। তবে এখন অধিকাংশ নৌযান ১ হাজার থেকে ১২শ’ টন ওজনের হয়ে থাকে। আর আমাদের উদ্ধারকারী জাহাজের ধারণক্ষমতা রয়েছে ২৫০ টন।’

0