কিশোরীকে আটকে রেখে রাতভর গণধর্ষণ, ভোরে মুক্তি

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: সুমনার (ছদ্মানাম) সাথে পূর্র পরিচয় ছিল রনির। সেই সুবাদেই রাত ৯টায় সুমনাকে চাচার বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। এরপর ভোর ৫টায় বেড় করে দেওয়া হয়। এ দীর্ঘ সময় তাকে করা হয় পালাক্রমে গণধর্ষণ!

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের মেয়ের সাথে এমনটাই হয়েছে দাবি করে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন সিএনজি চালক বাবা জামাল সরদার।

এ ঘটনায় এরই মধ্যে অভিযান চালিয়ে ১৮ বছর বয়সী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চাঁদপুরের দক্ষিন মতলবেব দক্ষিন বাড়িগাও এলাকার মনির হোসেনের ছেলে রনি (১৮), বিক্রমপুরের হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকার হাশেম মিয়ার ছিলে হৃদয় (১৮)।

এ ঘটনায় হৃদয় নামের ২২ বছর বয়সী আরো এক যুবককে খোঁজছে পুলিশ। সে আল্লাহ ভরসা গাড়ীর হেলপাড়। তবে, ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

মামলার বাদি জামাল সরদার অভিযোগে উল্লেখ করেন, রনির সাথে তার মেয়ের পূর্ব পরিচয় ছিল। সেই সুবাদে মেয়েকে ফুসলিয়ে তল্লা সবুজবাগন এলাকায় অবস্থিত রনির চাচা মামুন মিয়ার ভাড়াকৃত বাড়িতে (ব্যাংকার মতি মিয়ার বাড়ি) নিয়া যায়। পরে রনি ও হৃদয় সুমনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তারপর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোরে ঘর থেকে বের করে দেয়। বাসায় এসে সুমনা তার মাকে জানায়।

অভিযোগের পর অভিযান চালিয়ে এএসআই মো. আব্দুল গাফফার তালুকদার, কনস্টেবল মনিরুজ্জামান ও কনস্টেবল ইকবাল হোসেন তাদের গ্রেপ্তার করেন।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোনটি রিসিভ করেনি।

0