ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন লিপি ওসমান  

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: তরতাজা উদ্যোমি ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন জহিরুল ইসলাম। হঠৎ তার রেক্টাম ক্যান্সার ধরা পড়ে। ক্যানসার যাতে দ্রুত ছড়াতে না পারে, তার জন্য ৪টি কেমোথেরাপি, ২৭ টি রেডিও থেরাপি দেয়া লাগবে। যার একটা থেরাপীর মূল্য ৩৫ হাজার টাকা। পারিবারিক ভাবে অসচ্ছল হওয়ার ফলে এতোগুলো টাকা জোগার করা সম্ভব হয়নি জহিরুল ইসলামের। কিন্তু ভাগ্যের চাকা হঠাৎ কখন ঘুরে দাড়ায় কে জানে। জহিরের জীবনে হঠাৎ অন্ধকারের আলো হয়ে পাশে দাড়িয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সহধর্মীনি ও নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি।

জানা যায়,  বর্তমানে মহাখালী ক্যানসার হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছেন জহিরুল ইসলাম।  মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে ডা. লায়লা শিরিনের অধীনে চিকিৎসা করাচ্ছেন তিনি।

এদিকে, জহুরুলের ক্যানসার বর্তমানে দ্বিতীয় স্টেজে রয়েছে। ক্যানসার যাতে দ্রুত ছড়াতে না পারে তাই ডাক্তার ৪টি কেমোথেরাপি দেওয়ার পর প্রায় ২৭ টি রেডিও থেরাপি দিতে চেয়েছেন। এরপর রোগীর কন্ডিশন বুঝে ক্যানসার আক্রান্ত জায়গাটিতে সার্জারী করবেন। একটি কেমোথেরাপি দিতে খরচ হবে ৩৫হাজার টাকা করে। মানবতার মা খ্যাতি লিপি ওসমান এই চারটি  থেরাপি নগদ টাকা  দিয়েছেন। এছাড়া প্রতিবার কেমোথেরাপি দেওয়ার পর এমআরআই সহ ৬টি ব্লাডের টেস্ট করাতে হবে। এই টেস্টগুলি করাতে প্রয়োজন হয় ২২হাজার টাকা। কেমোথেরাপির পর খুবই পাওয়ারফুল ওষুধ ক্যাপেসিতাবিন-৫০০ প্রতিদিন ৫টি করে দুই সপ্তাহে ৭০ পিছ খেতে হয়। এই প্রতিটা ওষুধের দাম ৫শ’ ২০ টাকা করে। প্রতিটা কেমোর পরে এই ওষুধ খেতে প্রয়োজন হচ্ছে ৩৬ হাজার ৪শ’ টাকা। এরপর ২৭ টি রেডিওথেরাপি দিতে ও টেস্ট করাতে খরচ হবে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। সবশেষে সার্জারী করাতে প্রয়োজন হবে দেড় লক্ষ টাকার মত। মোটামুটি ৫ লাখ টাকা লাগবে।

মুঠোফোনে জহিরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান,  শুক্রবার দুপুরে আমার সাথে লিপি ওসমান কথা বলেছেন। উনার  সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন। সকলের কাছে দোয়া চাই আমার জন্য, এবং লিপি ওসমানের জন্য। যে কিনা আমার মতো একজন মানুষের পাশে দাড়িয়েছে।

জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি জানান, আরও অনেক টাকা দরকার জহিরুলের পরিপূর্ণ চিকিৎসা করাতে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আমি যা চেষ্টা করেছি তা প্রচারের জন্যনা, কেউ যদি আমারটা দেখে অনুপ্রাণিত হয়, সেটাই আমার মূল উদ্দেশ্য। একটু একটু করে হাত বাড়ালেই হয়ে যাবে।

0