খোকন সাহার পুষ্পস্তবকের লেখা বিকৃতি :‘নোংরা রাজনীতি ছাড়ুন’

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক জ্ঞাপন করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট খোকন সাহা। নিজ উদ্যোগে রোববার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে শহরের ২ নং রেল গেইটস্থ আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি। তবে, তার শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পুষ্পস্তবকের লেখা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ব্যাক্তিগত ভাবে এড. খোকন সাহার অর্পণ করা পুষ্পস্তবকের মূল লেখা বিকৃতি করে তার পদবীর শেষে ‘নারায়ণগঞ্জ মহানগর’ শব্দ সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, পুষ্পস্তবকের মূল লেখায় ছিলো “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে, শ্রদ্ধাজ্ঞলি, এড.খোকন সাহা, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর”। কে বা কারা গভীর ষড়যন্ত্র করে ওই লেখার কাগজ সরিয়ে সেখানে ‘নারায়ণগঞ্জ মহানগর’ অংশটুকু বাদ দিয়েছে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট খোকন সাহা বলেন, ‘পৃথিবীতে মানুষ কখনও একসাথে হাসে না, আবার কাঁদেও না। কিন্তু আজকের এই ১০ জানুয়ারী দিনটিই একমাত্র ব্যতিক্রম হয়েছিল। সে দিন আমাদের জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিলো আনন্দ-অশ্রুর মিলিত এক ভিন্ন অনুভূতি। আর আজকেই এই দিনেই, আমার পুষ্পস্তবকের লেখা পাল্টিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে। তাদের বলতে চাই নোংরামি বাদ দিয়ে, সুস্থ স্বাভাবিক ধারার রাজনীতিতে চলে আসুন’।

এড. খোকন সাহা আরও বলেন, ‘১০ জানুয়ারী উপলক্ষ্যে নিজস্ব উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৮ টায় আমি দলীয় কার্যালয়ে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। আমার অর্পিত পুষ্পস্তবকে লেখা ছিল, “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে, শ্রদ্ধাজ্ঞলি, এড.খোকন সাহা, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর”। আমি এই লেখা সম্বলিত পুষ্পস্তবকটি অর্পণ করার পর যখন স্থান ত্যাগ করি, তখন যারা আমার সুনামকে ক্ষুন্ন করতে চায়, এমন চিহ্নিত কেউ পুষ্পস্তবকের লেখাটি পরিবর্তন করে। আমাকে হেও করার জন্য যেখানে লেখা হয়  “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে, শ্রদ্ধাজ্ঞলি, এড.খোকন সাহা, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ”।

পুষ্পস্তবকের লেখা বিকৃতির প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে সুনামের সহিত ৩০ বছর যাবত আইন পেশায় জড়িত। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার যোগ্যতা রাখি না। যারা এ অপকর্মটি করেছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, নোংরামি বাদ দিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক ধারার রাজনীতিতে চলে আসুন।’