গণধর্ষণের পর রাস্তার পাশে ফেলে গেল প্রেমিক

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: প্রথমে ধর্ষণ করে প্রেমিক, এরপর পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুই সহযোগীও। প্রায় ৪ ঘন্টা পাশবিক নির্যাতণের পর প্রেমিকার (১৬) নিথর দেহ রাস্তার ঢালে রেখেই চলে যায় তারা। রাত ২টায় কিছুটা সুস্থ্য হয়ে বাড়িতে ফেরে ধর্ষিতা ওই তরুণী।

মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত মিজমিজির আব্দুল আলীর পুলের পাইনাদী উত্তর পাড়া বিলে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ওই তরুণী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। (মামলা নং-১৬) পরে অভিযুক্ত ১ ও ৩ নং আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আব্দুল আলীর পুল এলাকার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে রবিন (১৯), মৃত ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে কামাল (৩০) ও চাদঁপুরের উত্তর মতলব এলাকার জালাল মোল্লার ছেলে ও আব্দুল আলীর পুল এলাকার নূর মোহাম্মদ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. ফারুক হোসেন (৪০)।

ভুক্তভোগী ওই তরুণী অভিযোগে উল্লেখ করেন, ওই কিশোরী মিজমিজির একটি মশার কয়েল কারখানায় কাজ করত। ২ মাস পূর্বে ইজিবাইক চালক রবিনের সাথে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। ৯ ডিসেম্বর রাত পৌনে ৯টার সময় রবিন ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পাইনাদী উত্তর পাড়া বিলে নিয়ে যায়। এরপর প্রথমে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে প্রেমিক রবিন, পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুই সহযোগী কামাল ও ফারুক। ধর্ষণের পর অসুস্থ হয়ে পরে। তারা ওই অবস্থাতেই তরুণীকে রাত ২টার দিকে সেখানে রেখে চলে যায়। কিছুটা সুস্থ্য হলে বাসায় চলে আসে ধর্ষণের শিকার তরুণী।

এ ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক।

আর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল আজিজ জানান, অভিযুক্ত দুই আসামী রবিন ও ফারুককে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। আর ভুক্তভোগী ওই তরুণীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

0