গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার লাশে হত্যার আলামত, আটক আসামী রিমান্ডে

0

স্টাফ করেসপেন্ডন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার লাশ উদ্ধার হয়েছিল, সবাই বলছিল আত্মহত্যাই। কিন্তু, নিহতের আপন ভাইয়ের দাবি ছিল ‘আত্মহত্যা নয় হত্যা’। থানায় অভিযোগ করা হয়, লাশও ময়না তদন্তে পাঠানো হয়। এরপর চললো পুলিশের তদন্ত। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারনা করে এটি হত্যাকান্ড। আর সেই অভিযোগেই সোনারগাঁও থানা পুলিশ আটক করে ফারুক নামের এক যুবককে।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে আসামি ফারুককে আদালতে হাজির করা হয় ৭দিনের রিমান্ড চেয়ে।

পরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিন এর আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আসামী ফারুক(৩২) সোনারগাঁও থানার রাউৎগাও ভূইয়াপাড়া এলাকার মৃত. আমান ভূইয়া এর ছেলে ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, বাদী পেশায় একজন রিকশা চালক। তার ছোট ভাই শিমুল বাসায় ঘরে বসে তাস ও টাকা দিয়ে জুয়া খেলতো। এই নিয়ে শিমুল ও তার স্ত্রীর সোনিয়ার মধ্যে সব সময় অনেক ঝগড়া হতো। গত ২০১৯ সালের ২০ আগষ্ট বাদী খবর পায় তার ভাই শিমুল গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে বাসায় ছুটে যায় তিনি। মৃত ভাইয়ের গলায় দাগ ছিল, দুই কাধে কালো শিরা ও বুকে ছোট ছোট জখম দেখে সন্দেহ হওয়ায় লাশকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় বাদী ও ভাইয়ের স্ত্রী সোনিয়া। আর এ মৃত্যুটি অপমৃত্যু বলে শিমুলের বড় ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৩৩/২০১৯।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, বাদীর ভাইয়ের ময়না তদন্তের রিপোর্টে ডাক্তার উল্লেখ্য করেছে শিমুলকে মারধর করে গলা চাপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা যায়, আসামি ফারুক নিহত শিমুল এর সাথে তাস ও টাকা দিয়ে জুয়া খেলতো বলে প্রমান পাওয়া গেছে। তাই হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আসামিকে ১ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।

রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশ পরির্দশক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে আসামিকে ১ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

0