ঘোষিত সময়ে বেতন হয়েছে না.গঞ্জের ৩৮% পোশাক কারখানায়

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফতুল্লার একটি পোশাক কারখানা ডিজাইন। ঈদের ছুটিতে যাওয়ার আগে মে মাসের পুরো বেতন দাবি করেছিলেন কারখানাটির শ্রমিকরা। কিন্তু মালিকপক্ষ দিতে চেয়েছে ৫০ শতাংশ বেতন। এ নিয়ে বিরূপ পরিস্থিতি দেখা দিলে সম্প্রতি কারখানা বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ।

সিদ্ধিরগঞ্জের আরেক কারখানা নীট সেন্টিকেট গার্মেন্টস। কারখানাটির শ্রমিকদের দাবি ছিল মে মাসের পূর্ণাঙ্গ বেতনসহ ওভারটাইম ভাতা। কিন্তু মালিকপক্ষ ওভারটাইম ভাতা পরিশোধ বেতন করেনি। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩ জুন বেতন পরিশোধ শুরু হয়েছে কারখানাটিতে।

ঈদ সামনে রেখে ২ জুনের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পোশাক শিল্প মালিকরা। গত ২৪ মে সরকার-মালিক-শ্রমিক তিন পক্ষের সভায় এ প্রতিশ্রুতি দেন তারা। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার শিল্প অধ্যুষিত এলাকা গুলোর ৩৮ শতাংশ কারখানায় বেতন পরিশোধ হয়েছে। অন্যদিকে বোনাস পরিশোধের প্রতিশ্রুত সময় ছিল ৩০ মে। ২ মে পর্যন্ত বোনাস পরিশোধ হয়েছে ৯৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ কারখানায়।

শিল্প পুলিশ-৪ (নারায়ণগঞ্জ) অঞ্চলে পোশাক কারখানা আছে মোট ৬৪২টি। এর মধ্যে বেতন পরিশোধ হয়েছে ২৪৪টিতে বা ৩৮ শতাংশ কারখানায়। আর বোনাস পরিশোধ হয়েছে ৬১৬টি বা ৯৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ কারখানায়। নারায়ণগঞ্জে বেতন হয়েছে বিজিএমইএর সদস্য ৭০টি কারখানায়, বোনাস হয়েছে ১৭৩টিতে। বিকেএমইএর সদস্য ১৬৫টি কারখানায় বেতন ও ৪২০টিতে বোনাস পরিশোধ হয়েছে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের দাবি ছিলো ২০ রোজার মধ্যে বেতন বোনাস পরিশোধ করার। কিন্তু মালিক পক্ষ ও শিল্প পুলিশ মেলি আলোচনার মাধ্যমে বেশ কয়েকবার তারিখ নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু তারপরেও অনেক গার্মেন্টসে বেতন দেওয়া হয়নি। অন্যান্য বারের মতো এবারও শ্রমিকরা যদি বেতন বঞ্চিত হয়। তাহলে আমরা শ্রমিকদের নিয়ে মালিকের বাড়ি ঘেরাও করবো। পাশাপাশি বিকেএমইএ, বিজিএমইএ ও শিল্প পুলিশের প্রতি আহ্বান রাখবো আজ (৩ জুন) এর মধ্যে বেতন পরিশোধ করা হক।

0