ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে রাজপথে ছিলাম: এএসপি খোরশেদ

0

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) খোরশেদ আলম বিদায়ী পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অনেক লাঞ্চিত হয়েছে বঞ্চিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর প্রাণের সংগঠন বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে আমিও সেদিন রাজপথে ছিলাম। আমিও মার খেয়েছি নির্যাতিত হয়েছি নিপীড়িত হয়েছি। আমার বাড়িতেও আক্রমন হয়েছে হামলা হয়েছে। তখন কিন্তু কেউ ঠেকায় নাই। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় তাই আপনারা কথা বলতে পারেন। মনে রাখবেন পুলিশ আপনাদের সব থেকে বড় বন্ধু।

তিনি আরো বলেন, ‘স্যার (এসপি হারুন অর রশিদ) সত্যিকারের একজন নেতা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক স্যার। স্যার ছাত্র রাজনীতিতে বিভিন্ন পদে ছিলেন। স্যার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নিয়েছিলেন। স্যার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এখন স্যার নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে।

এসময় তিনি আরো বলেন, অনেকে অনেক কিছু লিখছেন। এ বিষয়গুলো আরো গভীরভাবে জানা দরকার। উনি অনেক কাজ করেছেন নারায়ণগঞ্জের জন্য। কাজগুলো তুলে ধরা উচিত। অনেক হলুদ সাংবাদিক আছে যারা অনেক কিছু লিখছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায় জেলা পুলিশ লাইনের সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল কাজী শামসের উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল্লাহ আল মামুন, নূরে আলম প্রমুখ।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের এসপি হিসেবে যোগ দেন হারুন অর রশিদ। গত ৩ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন আর রশীদকে পুলিশ হেড কোয়াটারে বদলি করা হয়েছে।

0