ছোট বেলায় ছিল ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন, হলাম রাজনীতিবিদ

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: কিছু কিছু মানুষ আছেন, যারা পৃথিবীতে আসেন তাদের চারপাশের সবকিছুকে আলোকিত করার জন্য। তাদের উপস্থিতি সবাইকে আনন্দে মাতিয়ে রাখে। সামাজিক কিংবা পারিবারিক বন্ধনে বেঁধে রাখে আশেপাশের মানুষগুলোকে। ঠিক সে রকম একজন অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় নাম মো. নাজমুল আলম। অনেকে তাকে কাউন্সিলর সজল নামেও চিনেন। ৪ ফেব্রুয়ারি ছিল বহুগুণে গুণান্বিত এ রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবকের জন্মদিন।

১৯৭০ সালের এই দিনে শহরের দেওভোগ এলাকার ব্যবসায়ী মো. শেখ নিজাম আলম এবং মা নিলুফা আলমের ঘর আলো করে আসেন। ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় অবস্থিত নানীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন নাজমুল আলম সজল। জন্মের ৪০ দিন পর নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তাকে। চার ভাই এবং দুই বোনের মাঝে সবার বড় ছিলেন। পরিবারের বড় সন্তান হওয়ায় ছোট বেলা থেকেই খুব আদরে বড় হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ প্রিপারেটরি স্কুল দিয়ে তাঁর প্রথম শিক্ষা জীবনের শুরু। মাধ্যমিক শিক্ষা জীবন শেষ করেন বিদ্যানিকেতন স্কুল থেকে। আর সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে করেন এইচএসসি পাশ।

ছোট বেলায় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালো বাসতেন। ছোট বেলায় খুবই ইচ্ছে ছিল ক্রিকেটার হওয়ার। প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন।

বাবাও রাজনীতিবীদ এবং সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সূত্রে তিনিও ২০০১ সালে জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণার ব্যক্তি ছিল বাবা শেখ নিজাম আলম। তার প্রথম পদ ছিল ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য, শহর যুবলীগের সদস্য হন। সময়ের সাথে সাথে হয়ে উঠেন সফল ব্যবসায়ীও। বর্তমানে নাজমুল আল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বাংলাদেশ হুশিয়ারি এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক।

পরে পরিবারের ইচ্ছেতে বিয়ে করেন। এখন এক ছেলে, এক মেয়ের বাবা। ছেলে শহরের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ছে এবং মেয়ে বাংলা মাধমের তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ালেখা করছে।

রাত ১২ টার পর জন্মদিনে তিনি তার পরিবার স্বজনদের সাথে কেট কেটে জন্মদিন পালন করেছেন। এবং সারাদিন তিনি তার পরিবারের সাথেই সময় কাটিয়েছেন। প্রিয় খাবার হচ্ছে ভূনা খিচূড়ির সাথে গরুর মাংস ও কাচ্চি। এছাড়া প্রিয় রঙ সবুজ। অবসর সময়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পছন্দ করেন।

0