জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাবে: গণসংহতি আন্দোলন

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: সরকার ও শাসনব্যবস্থার বদল এবং নাগরিকের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হবার ডাক নিয়ে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর গণসংহতি আন্দোলনের ১ম সম্মেলন করতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আহ্বায়ক নিয়ামুর রশীদ বিপ্লব ও সদস্য সচিব পপি রাণী সরকার কর্তৃক প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের সম্মেলন সফল করার আহ্বান জানান।

সবিজ্ঞপ্তিতে জানান, শুক্রবার সকাল ১০ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সম্মেলনের উদ্ভোধন করবেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সমন্বয়ক আবুল হাসান রুবেল। উদ্ভোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন জেলার নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস। এছাড়াও উদ্ভোধনী সমাবেশে নারী সংহতি জেলার আহ্বায়ক নাজমা বেগম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলার আহ্বায়ক কাউসার হামিদ, প্রতিবেশ আন্দোলন জেলার সংগঠক আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন মহানগর কমিটির আহ্বায়ক সৌরভ সেন সহ মহানগরের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার বিরোধী মতকে দমনের যে প্রোজেক্ট হাতে নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে তারা গতকাল বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দুজনকে গুলি করে হত্যা করেছে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার করছে। বুধবার রাতে গণসংহতি আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের হাতিরঝিল থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংগঠক মো. হাসু মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই দমন-পীড়ণ তারা সমগ্র দেশব্যাপী চালাচ্ছে। কিন্তু এসব করে কি তাদের শেষ রক্ষা হবে। এদেশকে যারা শ্মশানপুরীতে পরিণত করলো, তাদের বিচার জনতার আদালতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাবে খুব দ্রুত। আমরা নারায়ণগগঞ্জকে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বের হাত থেকে রক্ষা করে বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুক্রবারের এই সম্মেলন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীকে এই সম্মেলনে যোগদানের আহ্বান জানাই। একই সাথে ইলেকট্রিক, প্রিন্টিং, অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক বন্ধুদের গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি আমরা আশা করছি।