জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এখানে আসেননা কেন : এড.মাসুম

0
লাইভ নারায়ণগঞ্জ : বুধবার (২৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় মাসদাইর প্রতিরোধ স্তম্ভের পাদদেশে নারায়ণগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদারদের প্রথম প্রতিরোধ ও হত্যাযজ্ঞ দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারী জনপ্রতিনিধিরা কোথায় এমন প্রশ্ন রেখে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেছেন, নগরীর এই মাসদাইরে ১৯৭১ সালের ২৭ তারিখ প্রতিরোধ যুদ্ধ হয়েছিল। তাদের কল্যাণে নারায়ণগঞ্জের অশংখ্য মানুষ জীবনে বেঁচে গেছে।
কারণ একদিন সময় লেগেছে পাকবাহিনীদের নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রবেশ করতে, এরমধ্যে অনেকেই নারায়ণগঞ্জ শহর ত্যাগ করতে পেরেছিলো। পাকবাহিনী পরবর্তী সময় এই গ্রামের উপর তান্ডব চালিয়ে  ৩০ বা তারও বেশি লোককে হত্যা করেছে । সেসব শহীদদের আজকের এই প্রতিরোধ স্তম্ভ যেই স্তম্ভের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছি।
জেলা প্রশাসক কেন ২৬ মার্চেও কুচকাওয়াজের সাথে সাথে ২৭ মার্চ এই প্রতিরোধ যুদ্ধের কথা ভুলে যান। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কেন এখানে আসেননা। আমরা আহবান জানাবো স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে দুদিনব্যাপী কর্মসূচিতে স্বাধীনতা দিবস ও প্রতিরোধ দিবসের কর্মসূচি অন্তর্ভূক্ত করা যাতে হয়।
 তিনি আরো বলেন, সিটি করপোরেশনের মেয়রের প্রতি আমাদের নিবেদন থাকবে, এই প্রতিরোধ স্তম্ভের সংস্কার কাজটি করে দিন। এখানে শহীদের নামফলক স্থাপন করুক। এবং প্রতিরোধ যুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছে যারা আজকে বেঁচে তাদেরও নামফলক এখানে স্থপন করুক। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক। এখানে একটা পূর্ণাঙ্গ স্তম্ভ হয়েছে। আমরা দেখতে চাই রাষ্ট্র তাদের মূলায়ন করুক। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি চাই ।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েলের সঞ্চালনায় শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম , সাবেক সভাপতি এবং কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, মাসদাইর শহীদ পরিবার কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও শহীদ পরিবারের সদস্য মুজিবুর রহমান, গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশের ওয়ারর্কাস পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান এবং গণ সংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন। অনুষ্ঠানে গান পরিশেন করেন প্রদীপ ঘোষ বাবু, সুজয় রায় চৌধুরি বিকু এবং কবিতা আবৃত্তি করেন সৈয়দ আহনাফ তীব্র ।
0