টয়লেটের গ্রিল ভেঙে পালালেন না.গঞ্জে অপহরণ মামলার আসামি

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: হাসপাতালের টয়লেটের গ্রিল ভেঙে হ্যান্ডকাফ পরা না.গঞ্জের শিশু অপহরণ মামলার আসামি দুখু মিয়া পালিয়ে গেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ২টায় টয়লেটে গিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরে দুখু মিয়াকে আর টয়লেটের ভিতরে পাওয়া যায়নি।

শের-ই বাংলা মেডিকেলের নাক-কান গলা বিভাগের নার্সিং ইনচার্জ সৈয়দুন্নেছা জানান, সোমবার রাত ৩টায় ওই ওয়ার্ডের নার্স নাদিরা বেগম তাকে মুঠোফোনে এক আসামি রোগীর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জানান। এদিকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

দুখু মিয়া নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার রবিউল ইসলামের ছেলে। এক মাস আগে ফতুল্লা থেকে শিশুকে অপহরণ শেষে শিশুটির পরিবারের কাছে ১৫ লাখ মুক্তিপণ দাবি করেন। এ মামলায় গত ৪ মার্চ নগরীর পলাশপুর ৮ নম্বর বস্তি থেকে দুখু মিয়াকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ। গ্রেফতারের সময় দুখু মিয়া ব্লেড দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। আহতাবস্থায় ওই দিনই তাকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহৃত শিশু সম্পর্কে কোনো তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে দুখু মিয়ার পালিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা বলেন, টয়লেটের গ্রিল ভেঙে বের হতে হলে চারতলা থেকে লাফিয়ে পড়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। অথবা কারও সহযোগিতায় গ্রিল ভেঙে পালিয়েছে। পুলিশের ধারণা, পালিয়ে যাওয়ার সময় তার ঘনিষ্ঠ কেউ বাইরে অপেক্ষমাণ ছিলেন। তার সহযোগিতায় দুখু মিয়া গ্রিল ভেঙে পালিয়েছে।

অপরদিকে পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পুলিশ লাইনের এস আই মো. আমিনুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. রিয়াজুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম হাসপাতালের গ্রিল ভেঙে এক আসামির পলায়ন এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যের সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

0