ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, না.গঞ্জে প্রচারণাই ভরসা

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন অন্তত ৩ জন। রাজধানী ঢাকার চিত্র যখন এমন, তখন ভয়াবহ ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে প্রচারণাকেই একমাত্র পন্থা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। ‘ভয়ের কারণ নেই’ দাবি করে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছেন, ‘নারায়ণগঞ্জ রিস্কি জোনের বাহিরে।’ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ‘এখন পর্যন্ত ডেঙ্গণ রোগী পাওয়া যায়নি।’

সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ। এই রোগ এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণত দেশে এপ্রিল-জুন মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। এরপর নভেম্বরের দিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমতে থাকে। তাই আক্রান্তের সংখ্যা ২ থেকে ৩ মাসে মাত্রা আরও বাড়ার পাশাপাশি আক্রন্ত এলাকার পরিধিও বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা) অধ্যাপক সানিয়া তাহমিনা জানান, ঘনবসতি বেশি এমন এলাকার পরিবেশ এডিস মশার জন্য সবচেয়ে অনুকূলে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ঘনবসতি আছে এমন অঞ্চলের বাসীন্দা এ প্রতিবেদকের কাছে বলেন, তাঁদের এলাকায় মশার উপব আছে। তবে এলাকায় ওষুধ ছিটাতে দেখছে না।

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ মোস্তফা আলী লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমরা রাজধানীর মতো রিস্কি জোন বা ভয়াবহ স্থানে নেই। তারপরেও নারায়ণগঞ্জ যেহেতু ঢাকার পাশে তাই আমাদের এখানে সচেতনতার জন্য হেন্ডবিল বিতরণ করছি। বিলবোর্ড করতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কিভাবে সুন্দর ভাবে ডেঙ্গণ প্রতিরোধ করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আগামী শনিবার আলোচনা সভা করবো। এরপর ওয়ার্ড কাউন্সিলর, আবাসিক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি স্কুল–কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি আমাদের রুটিন কার্যক্রমের মধ্যে বর্জ্য, ঝোপ, জঙ্গল পরিস্কারের কাজ চলমান রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আমিনুল হক লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা কোন ডেঙ্গণ রোগী পাইনি। তবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম সর্ম্পকে সতর্ক করেছি। জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমাদের ১৪৩টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য সহকারীরা এ বিষয়ে কাজ করছে।

১৩৬
0