তুহিনের ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার নেপথ্যে ‘ঘরে সৎ মা আর শৃঙ্খলাহীন মনোভাব’

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: স্কুল এবং মাদ্রাসায় ভর্তি করলেও পড়াশোনায় মন ছিলো না। ৬ বছর বয়সে মারা গেছে মা। এরপরই দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বাবা। তাই পরিবার থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন ছিলো। অ্যাডভেঞ্চার ও ক্ষমতা দেখানোর লোভে যুক্ত হন এলাকার সন্ত্রাসী হাসান বাহিনীতে। উশৃঙ্খল মনোভাবের কারণে খুব দ্রুতই হয়ে যান বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড।

দেওভোগ শান্তিনগর এলাকার অটোরিকশা চালক কাওসার হোসেনের ছেলে সে। পুরো নাম সাইফুল ইসলাম তুহিন। বেড়ে উঠেছে এ শহরেই। ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর শহীদ নগরের র‌্যাব-১১ এর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন বাহিনীর প্রধান ২০ মামলার আসামী হাসান।

বয়স ২০ এর কোটা পাড় না হতেই বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তুহিনের অধিনে।

সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আজিজুলের (আজিজুল সার্জেন্ট) শ্যালক নিক্সন, চান্দু, পাভেল, মাইকেল, ডেবিট, বুলেট, হিটলার ও অমিকে দিয়ে নিয়ন্ত্রনে নেন আমবাগান, বাংলাবাজার, পশ্চিম দেওভোগ মাদরাসা রোড, হাসেম বাগসহ আশপাশের এলাকা।

মহল্লা গুলোতে ছোট ছোট ব্যাপার নিয়ে তার বিরুদ্ধে ছিলো হত্যা, মারধরের অভিযোগ। এছাড়া ছিনতাই, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা, মেয়েদের উত্যক্ত করার মতো ঘটনা তার প্রতিদিনের কাজ ছিলো। এ কাজ গুলো করতে করতেই হয়ে উঠেন তুহিন থেকে চাপাতি তুহিন।

র‌্যাব-১১ এর সহকারি পুলিশ সুপার মশিউর রহমান জানান, তুহিন এলাকায় কোথাও তুহিন বন্ড, আবার কোথাও চাপাতি তুহিন নামে পরিচিত ছিল। সে ছিল একজন দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত চারটি মামলা রয়েছে।

0