দালালও এখন হালাল না.গঞ্জের বিএনপিতে: দিনা

0

লা্ইভ নারায়নগঞ্জ: নারায়নগঞ্জ বিএনপি ধীরে ধীরে পঙ্গু করে দেওয়ার সুকৌশল চলছে। কমিটি দেওয়ার পর যখন দেখলাম প্রথমেই তৈমুর ভাইকে আহ্বায়ক করা হয়েছে তখন মনের মধ্যে একটা আনন্দের সন্চার হলো। চোখের সামনে ভাসতে লাগলো আবার আন্দোলনে আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জের রাজপথ কাপবে। ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে ২ জন ত্যাগী নারী নেত্রী কে নেওয়া হয়েছে এতেও খুশি হলাম। পুরা কমিটিতে চোখ বোলাতে গিয়ে যেই চোখে আসলো নারায়নগন্জের একজন পরীক্ষিত দালালের নাম চোখ যেন থমকে গেলো। এটা কিভাবে সম্ভব। তৈমুর ভাই এর কমিটিতে ১০০% পিওর আওয়ামী দালাল কিকরে ঠাই পেলো তাও আবার ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে। নারায়ণগঞ্জে কি বিএনপির ত্যাগী নেতার এতটাই আকাল পড়েছে???

রাগাক্রান্ত আর দুঃখ ভরা হৃদয় নিয়ে ৪১ সদস্য পর্যন্ত নামগুলো পড়লাম,,,,,, মনে হলো কোথাও গন্ডগোল আছে আবার পড়লাম ভালোভাবে পড়লাম দেখলাম নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজের সাবেক সফল ভিপি, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি,সদ্য বিলুপ্তি হওয়া নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবী নেতা যার বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ এর কর্মিরা প্রান ফিরে পায় সেই মাসুকুল ইসলাম রাজিব ভাই এর নাম নাই।এটা কিভাবে সম্ভব।বুঝতে বাকি রইলোনা তৈমুর ভাইয়ের চোখে ধুলা দিয়ে শহিদ জিয়ার পরিক্ষীত সৈনিক রাজিব ভাই কে বাদ দেওয়া হয়েছে আর পরীক্ষিত দালাল কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য। এতে যে কেন্দ্রীয় দোকানদারগনদের যথেষ্ট পকেট ভারী হয়েছে তাও বুঝতে বাকি রইলো না। তৈমুর ভাইকে না রাখলে যে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির চোখে সহজে ধুলা দেওয়া সম্ভব না তাই তাকে রাখা হয়েছে। তৈমুর ভাই নারায়ণগঞ্জ এর এমন এক নেতা যে একজন গরীব কর্মীর ঘরে ভাঙ্গা প্লেটেও নিন্ম মানের খাবার সাধলে হাসি মুখে খাবে। তৈমুর ভাই এমন নেতা নয় যে কর্মীর হাত তার হাতে লাগলে টিস্যু দিয়ে হাত মুছবে। তাকে সামনে রেখে পিছনে আওয়ামিলীগ অনুমোদিত কমিটি দেওয়া হয়েছে।

রাজিব ভাই এর নাম না থাকার কারন দর্শানো হয়েছে স্বয়ং তারেক রহমান স্যার নাকি রাজিব ভাই এর নাম বাদ দিয়েছে। একথা শুনে অন্ধ বিশ্বাসের মত রাজিব ভাই চুপ হয়ে গিয়েছে।কিন্তু আমিতো অত সহজে একথা বিশ্বাস করার মানুষ না।রাজিব ভাইয়ের কথা হলো আমার লিডার আমাকে আগুনে ঝাপ দিতে বললে আমি তাই করব,,,,,, হে আমরাও তাই করব কিন্তু তার আগে যাচাই করে নিব আসলেই কি আমার লিডার আগুনে ঝাপ দিতে বলেছে কিনা।লন্ডনে কথা বলে নিশ্চিত হলাম আমার লিডার এ ধরনের কথা বলার প্রশ্নই আসে না বরং লিডার এ বেপারে জানেইনা।যেহেতু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান স্যারের নাম ভাঙ্গিয়ে মিথ্যা বলে রাজিব ভাইকে মাইনাস করা হয়েছে আর দালাল কে হালাল করা হয়েছে সুতরাং এখন আর রাজিব ভাইয়ের সৈনিকেরা এবং বিএনপির একজন কর্মি হয়ে আমি অন্তত চুপ করে বসে থাকব না।অপেক্ষা করেন অচিরেই দেখতে পাবেন দালাল হটানোর জন্য আর রাজিব ভাইকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্রের জন্য আমরা কি কি করতে পারি,,,,,,,,,, Just wait and watch.

লেখক: আয়শা আক্তার দিন
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর মহিলা দল, নারায়ণগঞ্জ।
সংর‌ক্ষিত ম‌হিলা কাউ‌ন্সিলর, (৭,৮,৯ ওর্য়াড, এন‌সি‌সি)

0