না.গঞ্জের ড্রিমল্যান্ডের প্রোগ্রাম নিয়ে তারকাদের কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি!

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আগের মতো উৎসবের আমেজ নেই। তবে উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রচারণা না হলেও শিল্পীরা নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ির মাধ্যমে সম্পর্কগুলো বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত করছেন। 
মূলত শিল্পী সমিতির বিদায়ি সভাপতি অভিনেতা মিশা সওদাগরের একটি মন্তব্য শিল্পীদের মধ্যে বড় ধরণের প্রতিহিংসার তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে মিশার এই অভিযোগের বিষয়টি সঙ্গে জায়েদ খানও অভিযোগ আনেন তাদের বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগ ওঠেছে তিন সিনিয়র শিল্পী রিয়াজ, ফেরদৌস ও চিত্রনায়িকা পপির দিকে।

মিশা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন নারায়ণগঞ্জের ড্রিমল্যান্ডের একটি প্রোগ্রামে পারফর্ম করার জন্য নায়ক ফেরদৌস নাকি ৫০ হাজার টাকা নিয়েছেন। তার সঙ্গে রিয়াজ ও পপিকেও একই পরিমাণ টাকা দেওয়া হয়েছে। এমন অভিযোগের কারণে বেশ চটেছেন চলচ্চিত্রের এই তিন তারকা।

বিষয়টি প্রসঙ্গে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘আমি খুবই অবাক হচ্ছি এ রকম মিথ্যাচার দেখে। ভদ্রতা-ধৈর্যর ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর সময় চলে এসেছে। আমি ফেরদৌস ও পপি এই টাকা নেইনি। আর আমাদের পারিশ্রমিক কী এতই কম, না আমাদের কোনও ক্রেজ নেই? যার ফলে এত কম টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। নারায়ণগঞ্জের সেই শোটি ছিল ৮ লাখ টাকা বাজেটের। তার মধ্যে ৪ লাখ টাকা শিল্পী সমিতির ফান্ডে জমা হয়েছে। আর বাকি ৪ লাখ টাকা যারা পারফর্ম করেছে তাদের দেওয়া হয়েছে। সেটা কিন্তু পারিশ্রমিক হিসেবে নয়। ড্রেস ও অন্যান্য বাবদ। আর তা নির্ধারণ করা হয়েছে সবাই মিলেই। তো আমি, ফেরদৌস ও পপি যদি ৫০ হাজার করে দেড় লাখ টাকা নিয়ে থাকি তাহলে বাকি আড়াই লাখ টাকা কোথায়? সেগুলো কে নিয়েছে? এমন কথাও বলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।

ফেরদৌস বলেন, ‘কোনো প্রোগ্রামের জন্য আমার পারিশ্রমিক কি ৫০ হাজার টাকা? ওরা কী বোঝাতে চায়? আমি একটা প্রোগামে গেলে কত টাকা সম্মানী নেই সেটা যারা আমাকে নেন তারা সবাই জানেন। আমার যেখানে সম্মানী এই টাকার চেয়ে তিনগুণ সেখানে এই সামান্য টাকা নেব? এই বিষয়টি তাদের বানোয়াট, এটা ভিত্তিহীন একটি প্রচারণা।

একই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পপিও। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আসলে গত ২ বছরে সমিতির সঙ্গে থেকে ও অনেক কিছু দেখে নির্বাচনের ইচ্ছেটা মরে গেছে। যেটা বুঝেছি তারা দুজন নিজেদের কোরাম আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছে। যারা ন্যায্য কথা বলে, যারা অনিয়ম হলে প্রতিবাদ করে তারা সমিতিতে নেতৃত্বে আসুক এটা তারা চায় না। এতদিন শিল্পী সমিতি থেকে যে কাজগুলো করেছি তার একটাকাও পাইনি। আর উল্টো এমন কথা সত্যি লজ্জাজনক তাদের জন্য।’

0