না.গঞ্জের যে যে এলাকা লকডাউন করা হয়েছে. . .

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নভেল করোনার সংক্রমণরোধে ও সচেতনতার অংশ হিসেবে একের পর এক লকডাউন করা হয়েছে নগরীর ১৩টি এলাকা। করোনায় মৃত ব্যক্তির আত্মীয় কিংবা করোনায় গোসল করানো কিংবা পরোক্ষ সংস্পর্শে আসায় লকডাউন করা হয়েছে কয়েক শত পরিবারসহ ১৩টি এলাকাকে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র পুরো শহর লকডাউন করার অনুরোধ করেছেন সরকারের কাছে। এ প্রতিবেদন করা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন সভা করছেন নারায়ণগঞ্জে লকডাউন বা কারফিউ জারির মতো বিষয় নিয়ে।

নারায়ণগঞ্জে প্রথম বন্দরের রসূলবাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নারী মৃত্যু হওয়ার পর থেকেই, ক্রমান্বয়ে লকডাউন হতে থাকে পরিবার থেকে শুরু করে নারায়ণগঞ্জের এলাকাগুলো।

এলাকা গুলো হলো- আমলাপাড়া, গলাচিপা, চাষাঢ়া বেলী টাওয়ার, উত্তর চাষাঢ়া, পুরান পালপাড়া, পাইকপাড়া, বাবুরাইল, কাশিপুর, বন্দর (রসূলবাগে), পাঠানটুলী, খানপুর, জালকুড়ি ও লামাপাড়া এলাকা।

*রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় ফতুল্লা লামাপাড়া তাবলীগ জামাত থেকে করোনায় আক্রান্ত হওয়া (মো. বাকী) নামের ব্যক্তির মেয়ের জামাতার বাড়ির ৮ পরিবার এবং লামাপাড়া এলাকার আশেপাশের আরও ২০০ পরিবারকে লকডাউন ঘোষণা করেছেন সদর উপজেলা প্রশাসন।

* ২৯ মার্চ নারায়ণগঞ্জের বন্দরের রসুলবাগের এক নারী শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখনই তাকে ঢামেক থেকে কুর্মিটোলা হসপিটালে পাঠানো হয়। তবে তার স্বজনরা তাকে ওইদিন কুর্মিটোলায় না এনে বাড়ি নিয়ে যায়। পরদিন তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কুর্মিটোলা হসপিটালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। রসুলবাগের এই নারীর মৃত্যুর পর লকডাউন করা হয় বন্দর উপজেলার রসূলবাগ এলাকার শতাধিক বাড়ি।

*শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯ টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাশীপুর ইউনিয়নের একজনের মৃত্যু হওয়ায় রাতে আমবাগান (সুচিন্তানগর) এলাকাকে লকডাউন করা হয়েছে।

*বন্দরে মৃত নারীকে গোসল করিয়েছেন পাঠানটুলির এক নারী। তাই শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকে করোনা ঠেকাতে শহরের (পুরাতন পালপাড়া ও পাঠানটুলী) এলাকার ৮টি পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে।

*শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকালে করোনা ঠেকাতে ১৭নং ওয়াডের পাইকপাড়ার দুইটি বাড়িকে লকডাউন করেছেন প্রশাসন।

* শনিবার (০৪ এপ্রিল) সকাল নয়টায় করোনায় নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা থানার কাশিপুরের একজনের মৃত্যু হওয়ায় কাশিপুর এলাকাকে লকডাউন করেছেন প্রশাসন।

* বাবুরাইল এলাকায় সর্দি, জ্বর ও কাশি নিয়ে ফয়সাল সুজন নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবারের আট সদস্যসহ ১৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। সে সাথে বাবুরাইল এলাকা থেকে করোনা ঠেকাতে লকডাউন করে রেখেছেন প্রশাসন।

এছাড়াও করোনা ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হয়েছে গলাচিপা, চাষাঢ়া বেলী টাওয়ার ও জালকুড়ি এলাকাকে।

0