না.গঞ্জে করোনার উপসর্গ অনেকের, পরীক্ষার অভাবে জানা যাচ্ছে না!

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম মানেই পরিস্থিতি ভালো বলা যাবে না। কারণ টেস্ট কম হচ্ছে। পরিস্থিতি বুঝতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

এমনটাই মনে করছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম।

এই কর্মকর্তার মতোই অনেকে মনে করেন, এই জেলায় করোনার উপসর্গ প্রচুর লোকের আছে, কিন্তু পরীক্ষা করাতে না পারায় জানা যাচ্ছে না।

বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয়সহ মোট ৪৬ জন। তাঁরা আইইডিসিআরের অধীনে চিকিৎসাধীন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী পাওয়া গিয়েছিল নারায়ণগঞ্জেই; এখন ঢাকার পর নারায়ণগঞ্জেই রোগীর সংখ্যা বেশি। সীমিত এলাকায় বেশি রোগী পাওয়ার ঘটনা যে স্থানগুলোতে ঘটছে, তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জে সেই ক্লাস্টার পাওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল আইইডিসিআর।

করোনা সনাক্তের পরীক্ষাগার বা ল্যাব নেই নারায়নগঞ্জে। নমুনা সংগ্রহ করে পাঠাতে হয় ঢাকায়। আর একাজটিও ধীর গতির, সাথে রয়েছে নানা সমস্যা। জনবল এর পাশা পাশি যানবাহন সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী নমুনা সংগ্রহ করতে পারছে না জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ।

অনেকেই করোনার পরীক্ষা করাতে চান। চাহিদা বেশি থাকলেও নমুনা সংগ্রহের জন্য সবার কাছে পৌছাতে পারছে না স্বাস্থ্যকর্মীরা। সরকারি দু টি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে মাত্র কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করতে পারছেন তারা। ইতোমধ্যে, এ সমস্যার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবেই জানানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছে। চাওয়া হয়েছে নূন্যতম আরও তিনটি গাড়ি।

জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, অনেকেই টেস্ট করতে চাচ্ছেন। কিন্তু আমরা সবার নমুনা সংগ্রহ করতে পারছি না। কারণ নমুনা সংগ্রহের জন্য আমাদের কোন যানবাহন নেই। নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা ও ১০০ শয্যা হাসপাতালের দু টি অ্যাম্বুলেন্স আমরা ব্যবহার করছি। কিন্তু সেটাও সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ হাসপাতালের রোগী বহনেও ওগুলো ব্যবহৃত হয়। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসকের কাছে আমরা তিনটি গাড়ি চেয়ে চিঠি দিয়েছি।

0