না.গঞ্জে করোনা সংক্রমণ শঙ্কায় ব্যাংক কর্মীরা

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন অথবা জমা দেয়া, নোট আসল নাকি নকল তা যাচাইয়ে হ্যান্ড গ্লাভসের ব্যবহার প্রায় অসম্ভব। তাই গ্লাভস ছাড়াই টাকা গুনতে হচ্ছে ব্যাংক কর্মকর্তাকে। এতে প্রত্যেকেই থেকে যাচ্ছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কায়।

অবশ্য চালু থাকা সব ব্যাংক পুরোপুরি বন্ধের পক্ষে কর্মকর্তাদের রয়েছে মত।

করোনা আতঙ্কে স্থবির নারায়ণগঞ্জ, মানবসভ্যতা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ব্যতিক্রম নয় ব্যাংক খাতও। সম্ভাব্য সব ধরনের সংক্রমণের রাস্তা বন্ধ করতে নেয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা।

এর মধ্যেই জরুরি সেবার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের খোলা রয়েছে সরকারি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট কিছু শাখা। আর এখানেই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় গ্রাহকরা। স্বস্তিতে নেই ব্যাংক কর্মকর্তারাও।

এমন পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর পক্ষে নন ব্যাংক কর্মকর্তাদের অনেকে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের শাখার পাশেই একটি বাড়ি থেকে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। সীমিত এলাকায় বেশি রোগী পাওয়ার ঘটনা যে স্থানগুলোতে ঘটছে, তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জে সেই ক্লাস্টার পাওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এমন পরিস্থিতিতে করোনার চরম ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছি।

এদিকে, সোনালী ব্যাংকের গ্রাহক সুমন বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তারা যে ভাবে কাজ করছেন। তাদের কেউ অসুস্থ হলে ভয়াবহ অবস্থার মুখে পড়বে নারায়ণগঞ্জবাসীকে।

প্রসঙ্গত, নতুন করে বাড়ানো সাধারণ ছুটির মধ্যে, শুক্র শনিবার বাদে সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত আর্থিক লেনদেনের সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা।

0