না.গঞ্জে পশুর হাট প্র‌শ্নে ডি‌সি ‘কোন নির্দেশনা পাইনি, আমরা প্রস্তুত’

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: এখন আর হটস্পট নয় নারায়ণগঞ্জ, কিন্তু কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি- জেলায় পশুর হাট না বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগও হাটের পক্ষে নয়। ফলে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে হাট স্থাপন হবে, কি হবে না; এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে দোটানায় রয়েছে প্রশাসন। তবে, জেলা প্রশাসক বলছেন, ‘সরকারের যে কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে’।

ঈদের আর বাকি মাত্র ১৯ দিন। প্রতিবছর এ সময়টিতে হাট নিয়ে ব্যাপক তোরজোর থাকে নারায়ণগঞ্জে। অস্থায়ী হাটের জন্য মাঠ প্রস্তুত করা, হাটের টেন্ডার আহব্বানসহ নানা কাজ কর্ম। কিন্তু এবার বিশ্ব ব্যাপি ছড়িয়ে পড়া করোনার কারণে সব সমিকরণই পাল্টে গেছে।

১০ জুলাই কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকারের গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটি। এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের অবাধ জীবনযাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পশুর হাট বসার ক্ষেত্রে জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটির সুপারিশ করেছে- নারায়ণগঞ্জে যেন হাট স্থাপন না করতে।

১১ জুলাই জেলা কোভিড-১৯ কমিটি ও চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় সভায় জেলা করোনা সংক্রান্ত ফোকাল পার্সন ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, অনলাইনে গরুর হাটের ব্যবস্থা করা গেলে সবচেয়ে ভালো হয়। হলেও রাস্তা-চীপা গলিতে গরুর হাট করা যাবে না। খোলা মাঠে পর্যাপ্ত খোলা-মেলা অবস্থায় হাট করতে হবে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে মাস্ক পড়তে হবে। পাশাপাশি হাটে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমাদের ধরণা হাট বসলে করোনা রোগী কিছুটা বড়বে। ব্যাপারটি পর্যালোচনা করে নারায়ণগঞ্জে হাট না বসানোর পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি। তবে, সরকার থেকে এখনও এমন কোন নির্দেশনা পাইনি। সরকার থেকে যদি হাট না বসার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী আমরাও ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আর হাট বসালেও সংখ্যা হবে খুবই কম, থাকবে নিয়ন্ত্রিতও। তবে, আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সরকার যে নির্দেশনা দিবে, সে অনুযায়ীই চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0