না.গঞ্জে মার্কেট খোলার পরের দশ‌দিন গড়ে দৈ‌নিক ৫৯ জন আক্রান্ত হ‌চ্ছে!

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ১০ মে নারায়ণগঞ্জে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২৮১ জন; মার্কেট খোলার পর মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৭৮ জনে। প্রতিদিন গড়ে শনাক্ত হচ্ছে ৫৯ জনের বেশি। মার্কেট খুলে দেওয়ার আগের ১০ দিনেও গড়ে ৩৪ জন করে আক্রান্ত হয়ে ছিল।

মহামারি করোনায় এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও মার্কেট খুলে দেওয়ার আগে নারায়ণগঞ্জে যে চিত্র ছিল, এখন তার পুরোটাই উল্টো। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জে এখন সবকিছুই শিথিল। ফলে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কোনো সড়কই আর সুনসান নেই। যানবাহন চলছে নির্বিঘ্নে। রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল ও সমাগম বেড়েছে। সব ধরনের দোকানপাট খুলেছে। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় সুরক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। কিছু কিছু এলাকাতে মানুষের সমাগম এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মার্কেট, কোন কোন স্থানে আবার ব্যবসায়ীরা নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই মার্কেট বন্ধ করেছে। তারপরেও যে সকল মার্কেট চালু রয়েছে, সেখানেই সৃষ্টি হচ্ছে উপচে পড়া ভীড়।

সিভিল সার্জনের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে আক্রান্ত ব্যক্তির বেশির ভাগেই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের। আর এই এলাকা গুলোতেই মার্কেট চালুর সংখ্যা বেশি। সর্বশেষ যে ৫৪ রোগী আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪২ জনই এই সব এলাকার।

যদিও অনেকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণ হিসেবে নমুনা সংগ্রহের সংখ্যা বাড়াকে বলছেন।

নারায়ণগ‌ঞ্জের অনেক স‌চেতন পাঠক লাইভ নারায়ণগঞ্জ‌কে জা‌নি‌য়ে‌ছেন, করোনাকালে ঈদ শপিং না করে, ‌কোটি কোটি মানুষ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন; করোনার প্রাদুর্ভাব কমে গিয়ে সুদিনের আশায়। লাখ লাখ পরিবার ঈদের কেনাকাটা করার মতো যথেষ্ট আর্থিক সামর্থ্য থাকার পরও খোলা থাকা মার্কেটগুলোতে যাচ্ছেন না। তারা তাদের পরিবারের বড়দের পাশাপাশি ছোট শিশু–কিশোরদেরও বোঝাচ্ছেন এই ঈদে নতুন জামাকাপড় না কিনে আগের যা আছে, তা-ই পরতে হবে। বাচ্চারা মেনে নিচ্ছে। এমন প‌রি‌স্থি‌তি‌তে, অল্প কিছু মানু‌ষের ভু‌লে আমা‌দের না কোন বড় মাসুণ গুন‌তে হয়!

0