না.গঞ্জ জুড়ে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা, এসপি বলছেন ‘রুটিন ওয়ার্ক’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ জুড়ে করা নিরাপত্তা জারি করেছে জেলা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জে সাতটি স্থানে চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। তবে, পুলিশের দাবী এটি তাদের রুটিন ওয়ার্ক। এছাড়া কোন নাশকতা যাতে না হয় এজন্যই এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

অনেকের মতে, আর মাত্র দুদিন পর অনুষ্ঠিত হবে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ। আর ঢাকার পার্শবর্তী জেলা হিসেবে এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন নাশকতা সৃষ্টি হতে পারে। আর তাই নারায়ণগঞ্জ জুড়ে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাজধানীর প্রবেশ মুখ সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়েছে পুলিশ। তল্লাশিচৌকি পার হওয়ার সময় যাত্রী ও চালকদের জেরা করা হচ্ছে; বাসে যাত্রীদের ব্যাগ এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ভেতর ও পেছনে ব্যাকডালা তল্লাশি করতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর পূর্বপাশে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি এবং উত্তর পাশে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের প্রবেশমুখে হাইওয়ে পুলিশের দলকে দেখা যায়৷

অপর দিকে, নারায়ণগঞ্জ নগরীর প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়াসহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। চাষাঢ়া খাঁজা সুপার মার্কেটের সামনে জল কামান নিয়ে অবস্থান করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সরেজমিনে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে। তবে, পুলিশ বলছে রুটিন ওয়ার্ক এবং নাশকতা এড়াতে এই সব ব্যবস্থা। জানা গেছে, মহাসড়কে দুটিসহ জেলায় সাতটি চেকপোস্ট রয়েছে।

তবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, সমাবেশকে কেন্দ্র করে এ তল্লাশি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করছে পুলিশ। যাতে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী বাসা থেকে বের হতে না পারেন।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিচুর রহমান বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে শহরের পপুলার গলিতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আমরা চাইনা এরকম ঘটনা আর ঘটুক।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নাশকতা যাতে না হয়, সেজন্য পুলিশের সতর্ক অবস্থান রয়েছে৷

এ বিষয়ে গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ‘এটি পুলিশের রুটিন ওয়ার্ক। কোথায় কোনো অপ্রীতিকর এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’