নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। হাইকোর্টের তলবে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম আদালতে হাজির হয়ে জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অপ্রতুলতার কথা বললে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৮ নভেম্বর সারোয়ার আলমকে তলব করেন হাইকোর্ট। ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে সাজা দেয়ার পর চার মাস পার হলেও আদেশের কপি না দেয়ার ব্যাখ্যা দিতে তাকে ডাকা হয়।

আজ সকালে আদালতের তলব আদেশে হাজির হয়ে সারোয়ার আলম আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। ভবিষ্যতে আর এমনটি হবে না বলে জানান। একই সঙ্গে ওই রায়ের কপি দিতে বিলম্বের কারণ হিসেবে নকল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবের বিষয়টি আদালতের কাছে তুলে ধরেন। পরে আদালত র‌্যাবকে আরও লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে নির্দেশ দেন।

সারোয়ার আলম আদালতকে বলেন, একদিনে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে এসে রায় লিখতে হয়। এ কারণে আদেশের কপি সময়মতো দেয়া সম্ভব হয়নি।

পরিপ্রেক্ষিতে আদালত র‌্যাবকে জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেন। বিচারপতি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে মো. সারোয়ার আলমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

উল্লেখ্য, ১৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের তপু এন্টারপ্রাইজ নামে একটি পশুখাদ্য প্রস্তুতকরণ কারখানার ব্যবস্থাপক মিজান মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে ওই সাজার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য আদেশের কপি চান। কিন্তু সাজা দেয়ার চার মাস পরও আদেশের কপি দেয়ার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে মো. মিজান মিয়া গত ১৭ নভেম্বর রিটটি করেন।

0