নেই নায়ক-নায়িকার নামে পোশাক, এখনো জমে উঠেনি ঈদ বাজার

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: মুসলিম সম্প্রদায়ের দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। আর মাত্র ৪ দিন বাকী রয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা’র। তবে এখনও নগরীর পোশাকের দোকানগুলোতে নেই ভিড়। বিপণিবিতানের বেশির ভাগ দোকান ক্রেতাশূন্য। কোন কোন ব্যবসায়ী ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করছে। চারিদিকে বন্যার প্রকোপ ও ডেঙ্গু জ্বরের আতঙ্কের ফলে ক্রেতাশূণ্য বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বিপণি বিতান গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
শহরের ডিআইটি মার্কেট এলাকার স্টাইল ওয়ান দোকানের কর্মচারী রনি বলেন, গত বছরের তুলনায় বেচা-কেনা খুবই কম। দৈনিক প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বিক্রি হয়। নগরে মানুষ বন্যা ও ডেঙ্গু জ্বরের আতঙ্কের মধ্যে থাকায় বিক্রি কম বলে মনে করেন তিনি।
একাধিক দোকান মালিক জানান, কয়েক বছরের বিভিন্ন দূর্ঘটনার কারণে এবার কোন নাটক কিংবা সিনেমার নায়ক নায়িকাদের নামে পোশাক বের হয়নি। নতুন পোশাক বলতে আগেরই টপ, গ্রাউন, স্কার্ট, ফ্লোয়ার চার্ট সমূহ।
ওয়ালী সুপার মার্কেট এর আনন্দ ফ্যাশন স্টোরের কর্মচারী মো. আকবর বলেন, এবারের ঈদে বেচা-কেনা নাই বললেই চলে। দৈনিক ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা বেচা-কেনা হয়। তবে বিক্রির পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।
শহরের দক্ষিণ অংশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীরা এমন হতাশা প্রকাশ করলেও চাষাঢ়া এলাকায় পাওয়া গেছে ভিন্ন রকম চিত্র।
সমবায় মার্কেট এর পোশি এক্সক্লুসিভ দোকানের ম্যানেজার মো. আমির হোসেন বলেন, ঈদে বেচা-কেনা মোটা ভালো। দৈনিক ১৫ থেকে ২০ হাজারের মতো বিক্রি হয়। এই দোকানে শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক সকল বয়সের পোশাক রয়েছে।
সমবায় মার্কেট এর নন্দন ফ্যাশন স্টোরের কর্মচারী মো. নাহিদ হোসেন বলেন, প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার মতো বিক্রি হয়। এই দোকানে সকল বয়সেরই পোশাক রয়েছে। ক্রেতাদের স্বাধ্য অনুযায়ী ১৫’শ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার দামের পোশাক রয়েছে। তিনি জানান, এবারের পোশাকের বিশেষ কোন নাম না থাকলেও সকল পণ্যই নতুন।
হক প্লাজার মার্কেট এর রূপ সিঙ্গারা দোকানের ম্যানেজার মো. রুহুল আমিন বলেন, প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার বেচা-কেনা হয়। কিন্তু আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে বেচা-কেনা আরও বাড়বে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ১৫’শ থেকে ১২ হাজার ৫’শ টাকা পর্যন্ত পোশাক রয়েছে। এবারের ঈদে বাবরী গ্রাউন, গারালা, বোল গ্রাইন এছাড়াও ইন্ডিয়ান-পাকিস্তানী লোন, সুতি থ্রি পিস, বুটিকের থ্রি পিস ও বাচ্চাঁদের পোশাক রয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে ভিন্ন কথা বললেন, হক প্লাজার মার্কেট এর ড্রিম চার্ট শপের মালিক মো. কাউসার। তিনি হতাশার সূরে জানান, বেচা-কেনা একেবারেই নেই। বেচা-কেনা হবে বলেও সম্ভবনা নেই।

0