পূজা এলে পুরো মহল্লা ঘুরে বেড়াতেন শামীম ওসমান

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘ছোট বেলায় যখন পূজা হতো, তখন পুরো মহল্লা হাটতাম এবং বাঁশি বাজাতাম। এক মাসিমা ছিলেন, যিনি বয়া‌মে আমার জন্য নারু-সন্দেস রাখতেন। সে জানতো আমি আসবো, আর নিয়ে যাবো। সে মাসী মা আর এখন নাই। চলে গেছেন, কিন্তু স্মৃতি গুলো এখনও আছে। তোমরা যারা ছোট আছো, তোমাদের উদ্দেশ্যে বলছি, এই আদরটা নিয়েও। জাক-জমক, পয়সা-কড়ির দাম কম। এই আদরের দাম নাম অনেক বেশি। মানুষের ভালোবাসার চেয়ে দামি কিছু নেই। মানুষকে ভালোবাসো। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করো। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কাজ’।

শারদীয় দুর্গাপূজার সপ্তমীতে নগরীর আমলাপাড়ার একটি মন্ডপে গিয়ে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রাতে এই কথা  বলেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান।

এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্লথ মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা, ইয়ান মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি লিটন সাহা, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহাসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা।

শামীম ওসমান আরও বলেন, ‘দূর্গা পূজায় এখানে সকলেই মাকে সম্মান জানাবে। অনেকে অনেক টাকা খরচ করবে। শুধু দুর্গা মাকে সম্মান জানাতে। যুবকদের উদ্দেশ্যে আমি শুধু একটা কথাই বলবো, আজ থেকে ৪-৫ দিন পরে আবার এই মাকে বিসর্জন দিবেন। কিন্তু যে মা জন্ম দিয়েছে, সে কিন্তু বাড়িতেই রয়েছে। তাই আমি মনে করি, যে ধর্মের মানুষই হোক না কেন, মা-বার প্রতি এমন কাজ করেন না, যাতে মা-বাবা চলে যাওয়ার পড়ে মনে হয়, আহারে এটা কেন করলাম। আমার মা-বাবা নাইতো, তাই বুঝি। আমি এই দিনটাতে একটা অনুরোধই করবো, আমার মা বাবা নাই। আপনারা এমন ভাবে মা-বাবার সেবা করবেন, যাতে আপনাদের মনে কোন অসন্তুষ্টি না থাকে। যাতে মনে না হয়,  আমি এটা করলাম কেন?’

এ সময় মন্ডপ গুলোর সাজ সজ্জা গুলোর প্রসংশা করেন শামীম ওসমান।

0