পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে না.গঞ্জে ক্রেতা কম, হতাশ বিক্রেতা

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: দেশের বাজারে হঠাৎই দাম বেড়ে গেছে পেঁয়াজের। এর কারণ হিসেবে বিক্রেতাসহ ক্রেতারা দুশছেন ভারতকে। কারণ, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভারী বর্ষণে পেঁয়াজের চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দিল্লীতে। সেজন্য অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য বৃদ্ধি আর রাজনৈতিক বিবেচনায় ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এদিকে বাংলাদেশের ক্রেতারা ভয় পাচ্ছেন পেঁয়াজের বাজারে যে অস্থিরতা, তা দেখে ধারণা করছেন দাম হবে আকাশচুম্বী।

১৬ সেপ্টেম্বর ( বুধবার ) নারায়ণগঞ্জ দিগু বাবুর বাজারের পেঁয়াজের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, দেশী পেঁয়াজের পাল্লা(৫কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা পাল্লায়।

খুচরা বিক্রেতা ও আড়তদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ৩-৪ দিন যাবতই পেঁয়াজ আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। যে কৃষকরা পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে উঠায়, তারাই দাম ছাড়ছে না। তাদের থেকে বেশি দামে কেনার কারণেই আমাদের বেশিতে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিদিনের সংগ্রহ করা পেঁয়াজ আমরা প্রতিদিনই বিক্রি করি। ৮৬ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ কিনে এনে আমরা ৯০ টাকা দরে বিক্রি করছি।

তবে একই বাজারের(দিগু বাবুর বাজারের) লোকনাথ বাণিজ্যলয়ের আড়তদারকে দেখা যায় ৮৫ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে। লাইভ নারায়ণগঞ্জকে তিনি বলেন, যা পেঁয়াজ যেমন, সে তেমন দামেই বিক্রি করবে। আমার পেঁয়াজ দেশি, আমি পাবনা থেকে কিনে এনেছি। ১০ বস্তা কিনে এনেছি, এর মধ্যে ৩ বস্তা বিক্রি করেছি। বাজারে পেঁয়াজের ক্রেতা দাম বাড়ার পর কিছুটা কমে গেছে। আশা করি বাকি বস্তাগুলো বিক্রি করে ফেলতে পারবো।

অন্যদিকে, ক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া নতুন বিষয় নয়। কিছুদিন পূর্বেও বেড়েছিলো পেঁয়াজের দাম, আবার স্বাভাবিক হবে।

এদিকে বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজ কেনার প্রতি ক্রেতাদের ছিল ব্যাপক অনিহা। শুধুমাত্র দাম জিজ্ঞেস করেই চলে যাচ্ছিলেন ক্রেতারা অন্য পণ্য ক্রয় করতে।

প্রসঙ্গত, গত বছর এই সেপ্টেম্বর মাসেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এ বছর আবারও খুচরা বাজারে যে পেঁয়াজ(দেশি) ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়ে আসছিল, ২-৩ দিনেই ভারত থেকে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় এর দাম বেড়ে যায়।

0