পোড়া রোগীদের চিকিৎসা নেই না.গঞ্জে

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিংবা সদর জেনারেল হাসপাতাল। অথবা হোক ৩‘শ শয্যা হাসপাতাল। কোথাও নেই বার্ন ইউনিট নেই। ফলে নারায়ণগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানান্তরকালে রোগী মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, জেলাটিতে ৩১ লাখ মানুষের বসবাস। তাদের একটি বড় অংশ শিল্পকারখানার কাজ করেন। প্রায়ই এ শিল্প এলাকায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ সময় স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বার্ন ইউনিট না থানায় ঠিক সময় সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। এ কারণে অনেকেই মারা যায়। যারা বেঁচে থাকে তাদের বাকি জীবন তীব্র কষ্টে কাটাতে হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অবৈতনিক উপদেষ্টা সামন্ত লাল সেন বলেন, কোনো শিশু ১০ শতাংশ ও কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ১৫ শতাংশ পোঙার দুই ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। হাসপাতালে নিয়ে স্যালাইন দেওয়া প্রয়োজন। নইলে রোগীর কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।

সম্প্রতি সোনারগাঁয়ের রহিম স্টীলসহ ফতুল্লায় নামের একটি প্রতিষ্ঠানে দগ্ধ হয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় প্রায় অর্থশত ব্যক্তি। এ ঘটনাগুলোতে আহতদের শরীরে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এধরণের ঘটনা এখানে আবার ঘটবে না, সে নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। ফলে সোনারগাঁয়ে একটি বার্ন ইউনিট থাকা একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তা না হলে অগ্নিদগ্ধ রোগীদের নিয়ে প্রায় ২৭ কিলোমিটার পারি দিতে হয়।

এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আমিনুল হক জানান, অগ্নিদগ্ধ রোগীর চিকিৎসার না থাকায় সাথে সাথেই ঢাকায় পাঠিয়ে দেই। সরকার প্রতিটি জেলা সদরে একটি করে বার্ন ইউনিট চালুর পরিকল্পনা করছে।

0