ফুটপাতে চলছে হরদম বেচাকেনা, মার্কেটে ১ জনের সাথে ৫ জন

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে ভিড়ের কারণে প্রত্যেকেই যেন হাঁপিয়ে উঠছেন। তবে থেমে নেই, সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। মার্কেটগুলোতে রয়েছে ক্রেতাদের ভিড়।
ভিড়ের কারণে ক্রেতার সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এর মধ্যেই পছন্দের কাপড় কিনছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (১৭ মে) ১১ রমজানে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন মার্কেটে এলাকায় এ চিত্র দেখা যায়।


দোকানি ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজান শুরুর পর আজ দ্বিতীয় শুক্রবার। প্রতি রমজানে সাধারণত এ সময় থেকেই ঈদের কেনাকাটা পুরোদমে শুরু হয়। এখন থেকে দিন যত যাবে, ভিড় তত বাড়তে থাকবে। এখন যতটুকু দাম-দর করে কাপড় কেনার সুযোগ থাকছে, পরে সে সুযোগও থাকবে না।
ঈদের বাকি প্রায় ২০ দিনের মতো। ঈদের আগ মুহূর্তে কেনাকাটা করতে গেলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অনেকেই এখনই কেনাকাটা সেরে ফেলছেন।
আশিক নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘আজই সব কেনাকাটা শেষ করব। ঈদে গ্রামের যাব। বাবা-মা, ভাই-বোনসহ পরিবারের সবার জন্যই কেনাকাটা করবো।’
ঈদের বাকি এখনও বেশকিছু দিন, এখনই আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকেই বেটার (ভালো) মনে হয়েছে। পরে তো ভিড় হবে।’


পরিবারের সবার নতুন পোশাক কেনা অনেকের পক্ষে একদিনে সম্ভব হয় না। এ জন্য একাধিক দিন মার্কেটে আসতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনেকেই ছুটির দিন বেছে নেন।
এ পন্থা অবলম্বন করেছেন ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকার বাসিন্দা জি এম আলী। তিনি গত বৃহস্পতিবার ঈদ বাজার করেছেন। শুক্রবারও বাকি কেনাকাটা করতে এসেছেন।
মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মেয়েদের পোশাকের দোকানে তুলনামূলক ভিড় বেশি। তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেই বলে দিচ্ছেন, ব্যস্ততার কারণে কথা বলার মতো সময় নেই।
তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও দোকানিদের দাবি বেচাকেনা তুলনামূলকভাবে ভালো না। নারায়ণগঞ্জ কলেজের উল্টোপাশের রেলওয়ের মার্কেটের এক শাড়ি দোকানের সেলস ম্যানেজার মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার বেচাকেনা খারাপ। মার্কেটে মানুষ আসছে, কিন্তু বেচাকেনা কম। কিনতে আসছেন একজন, কিন্তু সঙ্গে চার-পাঁচজন করে আসছেন।’
অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু রোডের ফুটপাতে চলছে হরদম বেচাকেনা। ফুটপাত বিক্রেতারা জানান, বৃহস্পতি ও শুক্রবার থেকে মূলত ঈদের বেচাকেনা শুরু হয়েছে। বেচাকেনা মোটামুটি ভালো।

0