বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করেছে না.গঞ্জের মিশুয়ার ও ফকির অ্যাপারেলস

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য কালোবাজারে বিক্রির মাধ্যমে চোরাকারবারে জড়িত নারায়ণগঞ্জের মিশুয়ার হোসিয়ারি ও ফকির অ্যাপারেলস নামের ২টি পোশাকশিল্প কারখানা। এ অপরাধে ওই পোশাক কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর অ্যাকশন নিতে যাচ্ছে মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটি বলেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাস্টমসের আইনগত পদক্ষেপ ও কঠোর অ্যাকশন দেখতে চায় তারা।

জানা গেছে, শুল্কমুক্ত পণ্য চোরাচালানে বিক্রির সঙ্গে জড়িত ওই ২টি পোশাক কারখানাকে চিহ্নিত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রতিষ্ঠান দুটি কালোবাজারে পণ্য বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করেছে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। অতিসম্প্রতি চোরাকারবারে জড়িত পোশাক কারখানার নাম বিজিএমইএর কাছে পাঠিয়েছে এনবিআর। সংস্থাটি শুল্কমুক্ত সুবিধার আমদানিপণ্য চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত থাকায় সদস্যপদ বাতিলের অনুরোধ করেছে।

জানা গেছে, শতভাগ রপ্তানিকারকদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। তবে শর্ত হলো, এ সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল এনবিআর নির্ধারিত গুদামে রেখে তা দিয়ে তৈরি পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে হবে। এটি বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা নামে পরিচিত। বন্ডেড সুবিধার কোনো পণ্য বাইরে বিক্রি করতে হলে সরকারের প্রযোজ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সরকারের দেওয়া এ সুবিধার অপব্যবহার করছে একশ্রেণির ব্যবসায়ী নামের চোরকারবারি।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. মশিউল আজাম সজল বলেন, ‘যে কোনো মূল্যে বন্ডের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। বিজিএমইএ অ্যাকশন নিতে পিছপা হবে না। কিন্তু কাস্টমসকে সুনির্দিষ্টভাবে বলতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাস্টমসও আইনগত পদক্ষেপ নেবে এটাই দেখতে চায় বিজিএমইএ। আমরা কোনো সংগঠনের সদস্যপদ বাতিল করব না।’

কাস্টমস বন্ড কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, যে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম পাঠানো হয়েছে, তাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন সময় রাতে নারায়ণগঞ্জেন সহ কয়েকটি এলাকা থেকে খোলাবাজারে বিক্রির সময় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অপরাধ স্বীকার করে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছে।

0