বন্দরে ময়লা, বিদেশীরা বাংলাদেশকে ‘নোংরা’ প্রেজেন্ট করে: ইউএনও শুক্লা

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ‘উপজেলার প্রবেশ পথে হাতের ডান দিকে কিছু ময়লা আবর্জনা আছে, যেটা সিটি কর্পোরেশনের ওইখানে । আমি আসার পর এ বিষয়ে মেয়র ও এমপি স্যারকে অবগত করেছি, আমি চিঠিও দিয়েছি। কারণ, এই একটা রোড দিয়েই জেলা প্রশাসক, আমাদের এমপি মহোদয়, বড় বড় স্যার, শীতলক্ষ্যা সেতুর যে কাজ হচ্ছে সেখানে আগত ফরেন কোম্পানীর বিদেশীরা আসে। বিদেশীরা যখন এই রাস্তা দিয়ে আসে, বাইরের দেশে গিয়ে বাংলাদেশকে নোংরা প্রেজেন্ট করে তারা, বন্দরকে নয়। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অনুরোধ এই আবর্জনার ব্যবস্থা করার জন্য, যাতে আমাদের মানসম্মান থাকে’।


২৬ জানুয়ারী ( মঙ্গলবার ) বন্দর উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) শুক্লা সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক(ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বন্দর উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বীরমুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইউএনও শুক্লা সরকার বলেন, ‘বন্দরে আসার পথে নবীগঞ্জে দিয়ে একটি ব্রিজ হলে নারায়ণগঞ্জের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ভালো হবে। এখানে শীতলক্ষ্যা সেতু হচ্ছে, যেটি ২০২১ থেকে ২২ সালের মধ্যে শেষ হবে। আমাদের উপজেলায় আসার পথে একটিই কানেকটিং রোড আছে, মদনগঞ্জ থেকে মদনপুর পর্যন্ত একটিই রোড। শীতলক্ষ্যা ব্রিজ যখন খুলে দেয়া হবে, তখন এই রোডটির উপর অসংখ্য প্রেসার আসবে। বন্দর হয়ে যারা চিটাগাং যাবে সেই সকল গাড়ির প্রেসার হয়তো বাড়বে। এই রাস্তাটার বিষয়ে একটু লক্ষ্য দিবেন স্যার। লাঙ্গলবন্ধে বাইপাস রোড করতে পারলে সেখানকার প্রেসারটা একটু কমতে পারে’।

বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ‘বন্দরে ১৮৩ জন ভিক্ষুক ছিল এর মধ্যে ৬০ জনকে আমরা পুনর্বাসিত করতে পেরেছি। বিভিন্নসময়ে তাদের টং দোকান, হাঁস-মুরগি, ওয়েট মেশিন দিয়ে তাদের সহায়তা করেছি। আজ আমরা আরও ১০জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসন ও দুইজনকে হুইল চেয়ার বিতরণ করবো’।

মতবিনিময় সভা শেষে বন্দর উপজেলা প্রশাসন থেকে দুই প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার, ও দশজন ভিক্ষুককে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা স্বরূপ একটি টি-স্টল বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রীসহ প্রদান করেন।

0