বন্দর-পাইকপাড়ার পর পালপাড়া ও পাঠানটুলী লকডাউন!

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন করা হয়েছে শহরের পুরাতন পালপাড়া ও পাঠানটুলী এলাকার ৮টি পরিবারকে।

পালপাড়া এলাকা ৩এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল থেকে এবং পাঠানটুলী এলাকা শুক্রবার রাত থেকেই লকডাউন করা হয়।

সনাতন পল্লী (পুরাতন পালপাড়া) লকডাউনের ব্যাপারে এনসিসি ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসিত বরণ বিশ্বাস জানান, ওই এলাকার একজন লোক কিছুদিন আগে জ্বর, ঠান্ডার উপসর্গ নিয়ে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা কুর্মিটোলায় নেয়া হলে, কুর্মিটোলায় ভর্তি অবস্থায় যুবক মারা যায়। তার নমুনা সংগ্রহ করে রেখেছে কুর্মিটোলা হাসপাতাল। আর ইতিমধ্যেই তার পরিবারের দুই আত্মীয়ের ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। তাই সচেতনতার অংশ হিসেবেই ওই এলাকায় প্রায় শতাধিক পরিবারের প্রবেশের দুই মুখ টিন দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

শনিবার জেলা প্রশাসন ও এনসিসির টিম মৃতের আত্মীয়দের পরীক্ষার জন্য আসবেন বলেও জানান অসিত বরণ বিশ্বাস।

পাঠানটুলি এলাকার ৮টি পরিবারকে লকডাউনের ব্যাপারে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (এনসিসি) ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন জানান, বন্দরে করোনায় মৃত নারীকে গোসল করিয়েছিলেন পাঠানটুলির এক নারী। এঘটনায় বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াসহ মোট ৮টি পরিবারের ২৫জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। যিনি বাড়ির বাড়িওয়ালা তিনিই বন্দরের মৃত নারীকে গোসল করিয়েছিলেন। সকালে এনসিসি’র পক্ষ থেকে ডাক্তার এসে সকলকে সাধারণ চিকিৎসা ও পরীক্ষা করে গেছেন। ডাক্তার বলে গেছেন আপাতত তাদের মধ্যে কোন সমস্যা নেই। তাদের মধ্যে জ্বর, ঠান্ডা বা কোন উপসর্গ দেখা দিলে সাথে সাথে জানাতে।

প্রসঙ্গত, ৩০মার্চ বন্দরের রসুলবাগের এক নারী করোনা ভাইরাসে মৃত্যুবরণের পর লকডাউন করা হয়েছিল রসুলবাগ এলাকা। এরপর, বন্দরের করোনা ভাইরাসে নিহত নারীর আত্মীয় পাইকপাড়ায় অবস্থানরত দুটি বাড়ির লোকজনকে লকডাউন করে জেলা প্রশাসন। এছাড়া, ওই নারীর আত্মীয় পরিচয়ে সাংবাদিক মাসুদকেও খুঁজছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

0