বন্ধ ছিল ‘উৎসব’ বাস , যাত্রীদের দিনভর দুর্ভোগ

0

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইভ নারায়ণগঞ্জ: বাস কাউন্টারের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে ফতুল্লার ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান। অপেক্ষা যাত্রী পরিবহনের। একের পর এক পরিবহন গুলো আসছে। তবে শেষ হচ্ছে না লাইন।

একই অবস্থা টানবাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামেরও। প্রায় ১ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পেয়েছেন কাঙ্খিত পরিবহন। তবে, তার কাছে এই এক ঘন্টাই মনে হয়েছে এক বছরের অপেক্ষার প্রহর।

শুধু লুৎফর রহমান কিংবা শফিকুল ইসলামই নয়, প্রতিদিনই প্রায় ২ লাখেরও বেশি যাত্রী চলাচল করে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে। এর একটি বড় অংশের যাতায়াত উৎসব আর বন্ধন পরিবহনে। হঠাৎই সেই উৎসব পরিবহন বন্ধ করে দেওয়ায় চাপ বেড়েছে বন্ধন পরিবহনে।

সরেজমিনে গুলিস্তানে গিয়ে দেখা যায়, সারাদিনই দীর্ঘ সাড়ি ছিলো টিকেট কাউন্টার গুলোতে। তবে, বিকালের পর থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ খুবই বেশি ছিলো। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পেয়েছেন কাঙ্খিত বাস। এ সময়টিতে সয়েছেন চরম দুর্ভোগও।

গত ১৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী যাত্রী পরিবহন উৎসব ট্রান্সপোর্টর বাস বন্ধ করে দেয় পুলিশ। তাদের দাবি, রুট পারমিট না থাকায় উৎসব ট্রান্সপোর্টের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই উৎসব পরিবহন তাদের নাম পরিবর্তন করে। নতুন নাম দেয় উৎসব ট্রান্সপোর্ট। এরপর থেকেই পরিবহনের বাসগুলো ট্রান্সপোর্টের নামে চলছিল।

উৎসব ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজল মৃধা বলেন, কী কারণে বন্ধ, তার কারণ কামাল মৃধা বলতে পারবেন। উৎসবে কামাল মৃধার মালিকানাধীন কোন বাস তাঁর অংশীদারত্ব নেই।

আর উৎসব পরিবহনের চেয়ারম্যান কামাল মৃধা গণমাধ্যমকে বলেন, উৎসব পরিবহনের বৈধ চেয়ারম্যান ও মালিক আমি। ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ এটার সুরাহা করে দেয়। সেদিনই পরিবহনের বাসগুলোর নাম পাল্টে উৎসব ট্রান্সপোর্ট করা হয়। অথচ রুটে পারমিট উৎসব পারবহনের নামে। এটা আমাদের জন্য বেশ বিব্রতকর ছিল। তা ছাড়া তারা বিনা অনুমতিতে বিনা রুট পারমিটে বাসগুলো চালাচ্ছিলো। সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুবই দ্রুত ৩০ টাকা ভাড়ায় এ বাস চালু হবে।

0