বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের ঘটনায় ৪ ধর্ষক গ্রেপ্তার

0

লাইভ নারায়ণগঞ্জ: ধর্ষকদের হাতে বান্ধবীকে তুলে দেওয়ার ঘটনায় আরও ধর্ষককে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।

শনিবার (১৫ জুন) বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধলাশ্বর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে সুমন (২২), জামালপুরের লাহারি কান্দা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ (২২), ঝালকাঠির কৃপাথ নগর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাকিল (২৩) ও টুটুল (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী এলাকার ওই তরুণী আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। পাশাপাশি মৌসুমী তার স্বামীকে নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলীতে বসবাস করে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সেই সুবাদে মৌসুমীর সঙ্গে সম্পর্ক হয় ওই তরুণীর। কিছুদিন আগে মৌসুমী কদমতলী থেকে চলে এসে ধর্মগঞ্জের আরাফাতনগর এলাকায় মা-বাবার সঙ্গে বসবাস শুরু করেন।

ঈদ উপলক্ষে দাওয়াত দিয়ে ৭ জুন বিকেলে বান্ধবীকে বাসায় বেড়াতে আসতে বলেন মৌসুমী। পরে বান্ধবী তার বন্ধুকে নিয়ে মৌসুমীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ওই দিন সন্ধ্যার পর মৌসুমী পরিকল্পনা করে বান্ধবী ও তার বন্ধুকে নিয়ে বক্তাবলীর নদীর পাড়ে ঘুরতে যান। তখন তাদের আটক করে বক্তাবলীর ছলিম উল্লাহর ইটভাটায় নিয়ে যায় ৬-৭ যুবক। ওই সময় বন্ধুকে মারধর করে বান্ধবীকে তুলে নিয়ে ইটভাটার একটি ঘরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। বিষয়টি মৌসুমীর চোখের সামনে ঘটলেও কিছু বলেননি। পরে বান্ধবী ও তার বন্ধুকে মৌসুমীর বাড়িতে আটকে রেখে মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে ধর্ষকরা।

খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানা পুলিশ মৌসুমীকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বান্ধবী ও তার বন্ধুকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মৌসুমীর সহযোগী আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়। পলাতক ছিলেন এই চার জন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ওসি আসলাম হোসেন বলেন, মামলার তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর(আইসিপি) মোঃ আজিজুল হক অভিযান পরিচালনা করে ৪ জন ধর্ষককে গ্রেফতার করেন।

0